
ইলিশ মাছ সকলেরই প্রায় প্রিয়। অত্যন্ত সুস্বাদু এই মাছ পাতে পড়লে খাওয়ার মজা দ্বিগুণ হয়ে যায়। এক টুকরো ইলিশ মাছ দিয়েই একথালা ভাত উঠে যায়। বর্ষার ভরা মরশুমে বাজারে ইলিশের চাহিদাও থাকে তুঙ্গে। আবার ইলিশ মাছ আমাদের শরীরের জন্য খুব ভাল।
বাঙালির রান্নাঘরে ইলিশ মাছ দিয়ে নানা পদ রান্না করা হয়। প্রতিটি পদই লোভনীয় হয়। তবে এর মধ্যে ইলিশের তেল ঝাল ব্যাপক টেস্টি হয়। ঘরে এভাবে ইলিশের তেল ঝাল বানালে দারুণ সুস্বাদু হবে খেতে। সহজ রেসিপি রইল...
উপকরণ:
ইলিশ মাছ, কাঁচা লঙ্কা, পেঁয়াজ কুচি, টমেটো কুচি, রসুন কুচি, হলুদ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, সর্ষের তেল, নুন, ধনেপাতা, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো।
পদ্ধতি:
* প্রথমে মাছ পরিষ্কার করে নুন-হলুদ মাখিয়ে হাল্কা ভেজে নিতে হবে।
* এবার গ্যাসে কড়াই বসিয়ে মাছ ভাজার তেলে সর্ষের তেল, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো, পেঁয়াজ কুচি, নুন, টমেটো, হলুদ, জিরে, রসুন কুচি দিয়ে কষিয়ে আন্দাজ মতো জল দিন।
* এরপরে ঢাকা দিয়ে কিছুক্ষণ ফোটান। তারপরে ভেজে রাখা মাছগুলো দিয়ে কম আঁচে রান্না করতে হবে।
* তারপরে কাঁচা লঙ্কা, ধনেপাতা কুচি দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। তৈরি হয়ে যাবে এই পদ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাঁরা বেশি ইলিশ মাছ খাবেন না। হাঁপানির সমস্যা থাকলে বেশি ইলিশ মাছ খাবেন না। যাঁরা অন্তঃসত্ত্বা ও সদ্য মা হয়েছেন, তাঁরা ইলিশ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কিডনির সমস্যা থাকলে ইলিশ মাছ খাবেন না। যাঁরা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভোগেন, তাঁরা ইলিশ মাছ এড়িয়ে চলবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুগারের রোগীরা ইলিশ মাছ খেতে পারেন, তবে পরিমাণ বুঝে খেতে হবে। তাহলে সুগার বাড়বে না। ইলিশ মাছ মানেই বাঙালির হেঁশেলে তেল-ঝাল-মশলা দিয়ে রান্না করা হয়। তবে সুগারের রোগীরা ইলিশ মাছ খেলে, পাতলা ঝোল বানিয়ে খান। যাঁরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁরা ভাজা ইলিশ খাবেন না।