Advertisement

Secret Recipe: মুসুর-মটর ডালে টুইস্ট! এই স্পেশাল ফোড়ন দিলে ভাতের সঙ্গে আর কিছু লাগে না

একই রকম ডাল খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসে। সেই একঘেয়েমি কাটাতে চাইলে একটু অন্যভাবে রান্না করে দেখতে পারেন। আসুন, আজ সর্ষে, কারিপাতা, টমেটো ও পেঁয়াজের ফোড়নে তৈরি মুসুর-মটর ডালের রসিপি জেনে নেওয়া যাক এক নজরে।

মুসুর ডালের রেসিপিটা শিখে নিন।মুসুর ডালের রেসিপিটা শিখে নিন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 Mar 2026,
  • अपडेटेड 9:04 PM IST
  • মধ্যবিত্ত বাঙালির রোজকার খাবার মানেই ডাল ভাত।
  • এই সহজ খাবারেই লুকিয়ে থাকে তৃপ্তির আসল স্বাদ।
  • তবে একই রকম ডাল খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসে।

মধ্যবিত্ত বাঙালির রোজকার খাবার মানেই ডাল ভাত। ভাতের সঙ্গে গরম গরম ডাল, আহা! এই সহজ খাবারেই লুকিয়ে থাকে তৃপ্তির আসল স্বাদ। তবে একই রকম ডাল খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসে। সেই একঘেয়েমি কাটাতে চাইলে একটু অন্যভাবে রান্না করে দেখতে পারেন। আসুন, আজ সর্ষে, কারিপাতা, টমেটো ও পেঁয়াজের ফোড়নে তৈরি মুসুর-মটর ডালের রসিপি জেনে নেওয়া যাক এক নজরে।

এই ডাল শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিতেও ভরপুর। মুসুর ডাল প্রোটিনের ভাল উৎস, আর মটর ডাল যোগ করে আলাদা ঘনত্ব ও স্বাদ। তার সঙ্গে সর্ষের ঝাঁঝ, কারিপাতার গন্ধ এবং টমেটোর হালকা টক; সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক অন্যরকম ফিউশন স্বাদ, যা বাঙালি রান্নায় একটু দক্ষিণী ছোঁয়াও এনে দেয়।

রান্না শুরু করার আগে প্রয়োজন মুসুর ডাল ও মটর ডাল সমান পরিমাণে নিয়ে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া। এরপর প্রেসার কুকারে বা কড়াইয়ে জল দিয়ে ডাল সেদ্ধ করে নিতে হবে। ডাল নরম হয়ে এলে সেটিকে একটু নেড়ে মসৃণ করে নেওয়া যেতে পারে।

এবার আসল কৌশল ফোড়নে। একটি কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে তাতে দিতে হবে সর্ষে। সর্ষে ফোড়ন ফুটতে শুরু করলে যোগ করতে হবে কারিপাতা। তারপর কুচি করা পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজতে হবে। এরপর টমেটো কুচি দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিতে হবে, যাতে মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করে। স্বাদ অনুযায়ী নুন, হলুদ এবং অল্প লঙ্কা গুঁড়ো যোগ করা যেতে পারে।

এই মশলার মধ্যে সেদ্ধ করা ডাল ঢেলে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। চাইলে সামান্য চিনি বা লেবুর রস দিয়ে স্বাদ আরও ব্যালান্স করা যায়। কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে এই বিশেষ ডাল।

এই রেসিপির সবচেয়ে বড় বেনেফিট হল; এটি খুব কম সময়ে তৈরি করা যায়, আবার স্বাদে সম্পূর্ণ আলাদা। দুপুরের ভাত হোক বা রাতের হালকা খাবার, এই ডাল সহজেই জায়গা করে নিতে পারে প্রতিদিনের মেনুতে। বিশেষ করে যাঁরা নতুন ধরনের ঘরোয়া রান্না ট্রাই করতে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এই পদ একেবারে পারফেক্ট।

Advertisement

সব মিলিয়ে বলা যায়, অল্প কিছু উপকরণ আর একটু ভিন্ন কৌশলেই সাধারণ ডাল হয়ে উঠতে পারে অসাধারণ। তাই পরের বার ডাল রান্না করতে গেলে এই রেসিপিটি একবার ট্রাই করতেই পারেন। 

Read more!
Advertisement
Advertisement