Advertisement

Indian foods for constipation: কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে চিরতরে মুক্তি, পাতে রাখুন এই ৪ খাবার

কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি দীর্ঘদিন থাকলে জীবনযাত্রার উপর বড় প্রভাব ফেলে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ফাইবারের অভাব, কম জলপান, ব্যায়াম না করা ইত্যাদি কারণে অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 Mar 2025,
  • अपडेटेड 7:14 PM IST

কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি দীর্ঘদিন থাকলে জীবনযাত্রার উপর বড় প্রভাব ফেলে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ফাইবারের অভাব, কম জলপান, ব্যায়াম না করা ইত্যাদি কারণে অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। যদিও বাজারচলতি ওষুধ রয়েছে, তবে কিছু ভারতীয় খাবার নিয়মিত খেলে স্বাভাবিকভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হতে পারে। দেখে নিন এমন ৪টি খাবার, যা খেলে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

ইসবগুলের ভুষি

ইসবগুল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার অন্যতম কার্যকরী উপাদান। এটি ফাইবার সমৃদ্ধ, যা অন্ত্রে জল ধরে রাখে এবং মল নরম করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম দুধ বা জলর সঙ্গে ১-২ চামচ ইসবগুল খেলে সকালে সহজে মলত্যাগ করা সম্ভব হয়। এটি অন্ত্রের চলন স্বাভাবিক রাখে এবং পাচনতন্ত্রের কাজ উন্নত করে।

ছোলার ডাল

ছোলার ডালে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং মল নরম করতে সহায়তা করে। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে নিয়মিত ছোলার ডাল বা ছোলা সিদ্ধ খাওয়া উপকারী। বিশেষত, রাত্রে হালকা মশলা দিয়ে রান্না করা ছোলার ডাল খেলে হজমে সুবিধা হয়।

ভিজিয়ে রাখা কিসমিস

কিসমিসে প্রাকৃতিক ল্যাক্সেটিভ উপাদান থাকে, যা মল নরম করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন রাতে ৮-১০টি কিসমিস জল ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। কিসমিসে থাকা ফাইবার অন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং মলত্যাগে সাহায্য করে। এটি বিশেষত বাচ্চা ও বৃদ্ধদের জন্য উপকারী।

পাকা পেঁপে

পেঁপেতে থাকা এনজাইম প্যাপেইন হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি প্রাকৃতিকভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকরী। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পাকা পেঁপে খেলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং মলত্যাগে সহজ হয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও জল থাকে, যা হজমে সহায়তা করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে পাতে ফাইবার যুক্ত খাবার রাখা জরুরি। ইসবগুল, ছোলার ডাল, কিসমিস এবং পেঁপে খেলে অন্ত্রের চলন স্বাভাবিক হয় এবং মলত্যাগ সহজ হয়। পাশাপাশি, দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস জল পান ও নিয়মিত ব্যায়াম করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হতে পারে।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement