
সারাদিন হাড়ভাঙা খাটনির পর ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। তবে কিছু মানুষের আবার কোনও কাজ না করেই লাগে ক্লান্ত। তাঁদের সারাদিন শুয়ে থাকার ইচ্ছে করে। কোনও কাজে লাগে না মন।
যদিও মাথায় রাখতে হবে, এই ধরনের ক্লান্তি যদি অনেক দিন ধরে থাকে, তাহলে এর পিছনে থাকতে পারে একাধিক অসুখ। এই প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শরীর এমনি এমনি ক্লান্ত হয় না। এর পিছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। সেই কারণটা খুঁজে বের করতে হবে। তাহলেই বড় বিপদ এড়াতে পারবেন।
এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কোন কোন কারণে সারাদিন ক্লান্তি পিছু নিতে পারে? আর সেই উত্তরটা রইল নিবন্ধটিতে।
ঘুম ঠিক না হওয়া
অনেকেরই পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। তাঁরা ৬-৭ ঘণ্টার কম সময় ঘুমান। আর এই ভুলটা করেন বলেই বিপদ বাড়ে।
এছাড়া অনেকে আবার দীর্ঘক্ষণ ঘুমান। তাঁরা ঘুমের ভিতর জোরে জোরে নাক ডাকেন। এই সমস্যার নাম হল স্লিপ অ্যাপনিয়া। এই সমস্যা থাকলেও ঘুম হয় না ঠিক ঠাক। তবে সেই ব্যক্তি বুঝতে পারেন না। যার ফলে সারাদিন ক্লান্তি গ্রাস করে রাখে।
ভিটামিনের অভাব
এখন অনেকেরই খাওয়াদাওয়ার ঠিক নেই। সেই কারণে তাঁদের শরীরে একাধিক ভিটামিনের ঘাটতি থাকে। বিশেষত, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি১২-এর অভাব থাকে। পাশাপাশি আয়রনে অভাবও থাকতে পারে। আর এই সব কারণেই দুর্বলতা নেয় পিছু। তাই এই দিকটাও মাথায় রাখতে হবে।
ডায়াবেটিস
জানলে অবাক হয়ে যাবেন, রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়লেও পিছু নিতে পারে ক্লান্তি। তাই সারাদিন ক্লান্ত লাগলে সবার প্রথমে একটা সুগার টেস্ট করে নিন। তারপর না হয় অন্য কিছু করবেন।
থাইরয়েডের সমস্যা
অনেকের থাইরয়েডের সমস্যা থাকে। কারও থাইরয়েড বেশি বেরয় তো কারও কম। আর এই দুই ক্ষেত্রেই দুর্বলতা নিতে পারে পিছু। তাই সুগারের পাশাপাশি থাইরয়েড টেস্টটাও করিয়ে নিন। তাতেই সুস্থ থাকতে পারবেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ডিপ্রেশন
মনের খবর রাখতে হবে। কারণ, মন ভাল না থাকলেও পিছু নিতে পারে অবসাদ। পাশাপাশি দুশ্চিন্তা এবং উৎকণ্ঠা নিতে পারে পিছু। আর এমন পরিস্থিতিতে সারাদিন ক্লান্ত লাগতে পারে। পাশাপাশি কাজে অনীহার আশঙ্কাও রয়েছে।
বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র শিক্ষার উদ্দেশে লেখা হয়েছে। আমাদের তরফে এই তথ্যকে নিশ্চিত বলে জানান হচ্ছে না।