
ওজন বেশি থাকলেই চিত্তির! এই কারণে শরীরের হাল বিগড়ে যেতে সময় লাগে না একবারেই। তাই ঝটপট ওজন কমাতে হবে। নইলে পিছু নিতে পারে ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে কোলেস্টেরল, ব্লাড প্রেশার সহ একাধিক অসুখ।
তাই ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই লেগে পড়ুন ওজন কমানোর কাজে। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করবে নিবন্ধটি। এই প্রতিবেদনে এমন কিছু টিপস দেওয়া হল, যেগুলি মেনে চললেই দ্রুত গতিতে ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব হবে। আসুন সেই সব টিপসগুলি জেনে নেওয়া যাক।
শাক, সবজি খেতে হবে
আপনাকে সবার প্রথমে শাক ও সবজি খাওয়া শুরু করে দিতে হবে। এই খাবারে রয়েছে ফাইবারের ভাণ্ডার। আর এই ফাইবার অন্ত্র অনেক ক্ষণ উপস্থিত থাকবে। যার ফলে আপনার খিদে পাবে কম। তাই শাক ও সবজি খেতে হবে নিয়মিত।
ফাস্ট ফুড চলবে না
নিয়মিত ফাস্ট ফুড খাবেন না। এটাই শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এতে রয়েছে ক্যালোরির ভাণ্ডার। তাই নিয়মিত ফাস্ট ফুড খেলে স্বাস্থ্যের হাল বিগড়ে যেতে পারে। বৃদ্ধি পেতে পারে ওজন। তাই যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন ফাস্ট ফুড। তাতেই শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে। এমনকী কমে যাবে ওজন।
ওটস রাখুন ডায়েটে
সুস্থ থাকতে ডায়েটে ওটস থাকা মাস্ট। কারণ, এতে রয়েছে ফাইবার। আর এই ফাইবার ও পেট ভরিয়ে রাখতে পারে। যার ফলে খিদে পাবে কম। আর কম খেলে যে ওজন কমবে, এই কথা তো বলাই বাহুল্য। তাই যাঁদের ওজন অনেকটাই বেশির দিকে রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত খাওয়া শুরু করে দিন ওটস। তাতেই ফল পাবেন হাতেনাতে।
এক সময় খান
এক এক দিন এক একটা সময় খেলে শরীরের হাল বিগড়ে যেতে পারে। পিছু নিতে পারে একাধিক সমস্যা। এমনকী বিপাকের হাল বিগড়ে গিয়ে ওজন বৃদ্ধি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এখন থেকে প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় খাবার খান। তাতেই সুস্থ থাকার কাজে অনেকটাই এগিয়ে যাবেন।
এক্সারসাইজ মাস্ট
প্রতিদিন নিয়ম করে এক্সারসাইজ করতে হবে। কোনও দিনই ছাড় দেওয়া চলবে না। দিনে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম হল মাস্ট। এই নিয়মটা মেনে চললেই দেখবেন হু হু করে কমে যাবে ওজন। আপনার শরীরের হাল ফিরে যাবে। তাই আজ থেকেই এই সব নিয়ম মেনে চলা শুরু করে দিন।
বিদ্র: এই প্রতিবেদটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।