
আলুর প্রতি ছোটবেলা থেকেই একটা 'সফট কর্নার' তৈরি হয়। আলু ভাতে থেকে আলু ভাজা হয়ে পোস্ত, সবই আমাদের ফেভারিট। আর এসব বাদ দিলে বিরিয়ানির আলুর কথা তো আলাদা করে বলতেই হয়। সেই আলু যে 'অমৃত সমান'।
যদিও এহেন পছন্দের আলুই শরীরের বড়সড় ক্ষতি করে দিতে পারে। পিছু নিতে পারে একাধিক সমস্যা। তাই বর্তমানে আলুকে ডায়েটে বুঝেশুনে জায়গা দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আর যাঁরা আরও একটু মানসিকভাবে শক্ত, তাঁদের আলু খাওয়া একদম ছেড়ে দেওয়ারই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে মাত্র একমাস আলু না খেলেই শরীরের হাল ফিরে যাবে। মিলবে একাধিক উপকার।
তাই আর সময় নষ্ট না করে ১ মাস আলু না খাওয়ার একাধিক উপকার সম্পর্কে জেনে নিন।
ওজন কমবে
আপনি কি ঝটপট ওজন কমিয়ে ফেলতে চান? তাহলে আজ থেকেই আলু খাওয়া ছেড়ে দিন। মাত্র ১ মাস আলু না খেলেই দেখবেন ঝরে যাবে মেদ। তাই যত দ্রুত সম্ভব আলুর থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে নিন। আশা করছি, তাতেই ওয়েট লস হবে দ্রুত গতিতে।
সুগার থাকবে নিয়ন্ত্রণে
ডায়াবেটিস থাকলে তো আলু খাওয়াই যাবে না। এই সবজির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেকটাই বেশি। তাই আলু খেলে সুগার লেভেল বেড়ে যেতে পারে।
এছাড়া আলু খেতে হবে সাবধানে। এই সবজি ১ মাস না খেলেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। ডায়াবেটিস রোগীদের সুগার থাকবে নিয়ন্ত্রণে। পাশাপাশি যাঁদের প্রি ডায়াবেটিস রয়েছে, তাঁরাও সুস্থ থাকবেন। সুগার লেভেল বেকাবু হবে না।
কার্বোহাইড্রেট কমবে ডায়েট থেকে
অনেকেরই ডায়েটে বেশ কিছুটা পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট থাকে। আর এই কার্বই শরীরের করে দিতে পারে ক্ষতি। এর জন্য ওজন বাড়তে পারে। অন্ত্রে উপস্থিত ভাল ব্যাকটেরিয়ার ধরনে বদল আসতে পারে। তাই আজ থেকেই আলু খাওয়া ছেড়ে দিন। মাত্র ১ মাস না খেলেই উপকার মিলবে হাতেনাতে।
একবারে ছেড়ে দেবেন?
না, একবারে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। এক মাস পর আবার অল্প পরিমাণে খেতে পারেন। দিনে ২০ থেকে ৩০ গ্রাম আলু খেলে মহাভারত অশুদ্ধ হবে না। তবে আলু খেতে হবে অন্য সবজির সঙ্গে। তাহলেই সুস্থ থাকার কাজে এগিয়ে যাবেন।
বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।