Advertisement

Nipah Virus Detection Test: কোন টেস্টে ধরা পড়ে নিপা সংক্রমণ? bangla.aajtak.com-কে জানালেন চিকিৎসক

নিপা নিয়ে ভয় রয়েছে। বাংলার দুই নার্স এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হাসপাতালে। এখন প্রশ্ন হল, কোন কোন টেস্টে ধরা পড়ে এই রোগ? বিশদে জানালেন চিকিৎসক।

নিপা ভাইরাসের টেস্টনিপা ভাইরাসের টেস্ট
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Jan 2026,
  • अपडेटेड 11:48 AM IST
  • নিপা নিয়ে ভয় রয়েছে
  • বাংলার দুই নার্স এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হাসপাতালে
  • কোন কোন টেস্টে ধরা পড়ে এই রোগ?

বাংলায় ফের আক্রমণ চালিয়েছে নিপা ভাইরাস। ইতিমধ্যেই ২ জন নার্স এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। তাঁদের দুইজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাই এই ভাইরাস নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাঁদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, নিপা একটি সংক্রামক ভাইরাস। এই ভাইরাস মূলত বাদুড় থেকে ছড়ায়। যাঁরা বাদুড়ের সংস্পর্শে আসেন, তাঁদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। এছাড়া বাদুড় যদি কোনও খাবার খায়, সেই খাবার খেলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে এই রোগ। এছাড়া মানুষ থেকে মানুষে দেহরসের মাধ্যমে (বমি, রক্ত) এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার রয়েছে আশঙ্কা।

তাই এই সব বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে। পাশাপাশি জেনে নিতে হবে যে ঠিক কোন কোন টেস্টে ধরা পড়ে এই অসুখ? আর সেই উত্তরটা জানতেই আমরা যোগাযোগ করেছিলাম বিশিষ্ট প্যাথোলজিস্ট ডাঃ উৎসব দাসের সঙ্গে।

প্রথমে কী টেস্ট?

এই প্রসঙ্গে ডাঃ দাস বলেন, 'নিপা ভাইরাসের যে সব লক্ষণ সেটা শুরুর দিকে অন্যান্য ভাইরাল ফিভারের সঙ্গে মিলে যায়। সেই গায়ে ব্যথা, জ্বরই হল প্রধান উপসর্গ। পরবর্তীকালে এনসেফালাইটিস হতে পারে। সেখান থেকে মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। তাই কারও এখন জ্বর-সর্দি হলে রিস্ক নিয়ে লাভ নেই। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে করে ফেলতে হবে RT PCR টেস্ট। গলা বা নাক থেকে নমুনা নিয়ে এই টেস্ট করা যেতে পারে। এছাড়া প্রস্রাব, রক্ত বা সেরিব্রাল স্পাইনাল ফ্লুইড দিয়েও করা যেতে পারে টেস্ট। এটাই হল রোগ নির্ণয়ের সহজ পদ্ধতি।'

IGM এবং IGG টেস্ট

আইজিএম টেস্টটা মোটামুটি ৮ থেকে ৯ দিনের মাথায় করা যায়। এটা খুবই সেনসিটিভ একটি টেস্ট। এই টেস্ট ৩ মাস পর্যন্ত পজিটিভ থাকে।

অপর দিকে আইজিজি টেস্টটা ১৭-১৮ দিনের মাথায় পজিটিভ হয়। ৮ মাস পর্যন্ত থাকে। এগুলি থেকেই মোটামুটি ভাইরাস সম্পর্কে জেনে ফেলা সম্ভব।

Advertisement

আর কী টেস্ট?

ডাঃ দাস জানালেন, অনেক সময় প্রয়োজনে ভাইরাল কালচার টেস্ট করা হয়। এর থেকেও ভাইরাস সম্পর্কে বিশদে জানা যায়। এছাড়া অ্যান্টিবডি টেস্টও করা যেতে পারে।

আবার রোগীর মৃত্যুর পর পোস্টমর্টেম টেস্টও করা যেতে পারে। এটাকে হিস্টোপ্যাথোলজি পরীক্ষাও বলা হয়। মৃত্যুর কারণ খোঁজার জন্যই এই টেস্ট করা হয় বলে জানালেন এই চিকিৎসক।

কখন সাবধান?

ডাঃ দাস বলেন, এই সময় জ্বর, গায়ে ব্যথা যদি শ্বাসকষ্ট, বিভ্রান্তি ও খিঁচুনির দিকে মোড় নেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এই সব লক্ষণগুলি হতে পারে নিপার ইঙ্গিত। সুতরাং সাবধান হওয়া ছাড়া সত্যিই কোনও গতি নেই।

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

Read more!
Advertisement
Advertisement