
শরীরের সবথেকে বড় অঙ্গগুলির মধ্যে একটি হল লিভার। এটি খাবার হজমে সাহায্যকারী কিছু এনজাইম তৈরি করে। পাশাপাশি শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করে দেয়। এছাড়াও একাধিক জরুরি কাজ করে লিভার। তাই লিভারের হাল ফেরাতেই হবে। এই অঙ্গটি সুস্থ থাকলেই শরীর থাকবে ফিট।
তাই আর সময় নষ্ট না করে বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ উৎসব দাসের থেকেই লিভার ঠিক রাখার কিছু সহজ কৌশল সম্পর্কে জেনে নিন। আশা করছি, এই নিয়মগুলি মেনে চললেই লিভার ২০২৬ সালে ভাল থাকবে।
ফাস্ট ফুড চলবে না
এই কয়েক দিন অনেক বাইরের খাবার খেয়েছেন। এখন থেকে সব বন্ধ। অন্তত বন্ধ না করতে পারলে কমান। বিশেষত, ফাস্ট ফুড এবং প্রসেসড ফুড খাওয়া কমিয়ে ফেলতে হবে। পাশাপাশি এড়িয়ে যেতে হবে মিষ্টি। এমনকী মদের থেকেও দূরে থাকুন। ব্যাস, তাতেই শরীরের হাল ফিরবে।
শাক, সবজি খান
এই সময় অনেক শাক, সবজি উঠেছে। পাশাপাশি রং-বেরঙের ফলও এখন পাওয়া যায়। আর এই সব শাক, সবজি এবং ফল হল শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের হালও ফেরাতে পারে। তাই নিয়মিত শাক ও সবজি খাওয়া শুরু করে দিন। এমনকী রোজ মরসুমি ফল খাওয়াও মাস্ট।
নাটস ও সিডস খান
ফ্যাট মানেই খারাপ নয়। কিছু কিছু ফ্যাট শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আর সেই সব ফ্যাট ডায়েটে রাখলে লিভার থাকবে ভাল। সেক্ষেত্রে নাটস এবং সিডস নিয়মিত খাওয়া শুরু করে দিন। এগুলিতে উপস্থিত ফ্যাটই লিভারের হাল ফেরাবে বলে মনে করছেন এই চিকিৎসক।
জল খান পরিমিত
অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান না। আর সেটাই বড় বিপদ ডেকে আনে। তাই আজ থেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া শুরু করে দিন। অন্ততপক্ষে ৩ লিটার জল খাওয়া মাস্ট। ব্যাস, এই নিয়মটা মেনে চললেই লিভার ভাল থাকবে। এমনকী শরীরের অন্যান্য সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।
এক্সারসাইজ করুন
আপনাকে প্রতিদিন এক্সারসাইজ করতে হবে। দিনে অন্ততপক্ষে ৩০ মিনিট থেকে ৪০ মিনিট এক্সারসাইজ হল মাস্ট।
এছাড়া প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। বেশি স্ট্রেস নেবেন না। এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই ভাল থাকবেন বলে জানালেন এই বিশিষ্ট চিকিৎসক।
বিদ্র: এই প্রতিবেদটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।