
শীতকালে অনেক সময় মোটা সোয়েটার, জ্যাকেট ও মাফলার পরার পরেও শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। হাত-পা অসাড় হয়ে যাওয়া, কান ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ও কাঁপুনি মতো রোগ একটি সাধারণ বিষয় হয়ে ওঠে। এটা কিন্তু শুধু খারাপ আবহাওয়ার কারণে না, বরং কিছু খারাপ অভ্যাসের জন্যই হয়। যদি আপনারও এমন রোগ তাহলে এই ভুলগুলি এড়িয়ে চলতে হবে। নিজেকে অনেক বেশি সময় গরম রাখার জন্য এই স্মার্ট টিপসগুলি মেনে চললেই কেল্লাফতে হতে পারে।
সঠিকভাবে লেয়ারিং করুন
শীতকাল আসার সঙ্গে সঙ্গেই সকলে মোটা পোশাক পরতে শুরু করে- যা আদতে বড় ভুল। শুধুমাত্র মোটা জ্যাকেট পরা যথেষ্ট নয়। প্রথমে একটি সুতির বা থার্মাল কোট পরতে হবে। তারপর একটি সোয়েটার ও এর উপর একটা জ্যাকেট পরতে হবে। এটি শরীরের তাপ বের হতে বাধা দেয় এবং ঠান্ডা কমায়।
হাত-পা ঢেকে রাখতে হবে
শরীরের বেশিরভাগ তাপ সাধারণত হাত ও পা দিয়ে বের হয়ে যায়। যে কারণে ঠান্ডায় হাত ও পা দ্রুত অসাড় হয়ে যায়। তাই পশমী মোজা, গ্লাভস এবং বন্ধ জুতো পরতে হবে। প্রয়োজনে, ডবল কোটিং মোজাও পরা যেতে পারে।
গরম জিনিস খেতে হবে
শীতকালে যতটা সম্ভব গরম জল খাওয়া উচিত। একইসঙ্গে যতটা সম্ভব গরম খাবার খাওয়া উচিত। এই ঋতুতে সর্দি-কাশি একটি সাধারণ বিষয়। তাই আদা চা, হলুদ দেওয়া দুধ, স্যুপ এবং হালকা গরম জল শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও, গুড়, তিল এবং বাদামের মতো খাবারগুলিও খুব উপকারী।
শরীরকে সচল রাখতে হবে
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। গরমের তুলনায় মানুষ ঠান্ডায় কম সক্রিয় থাকে। আর এই কারণেই দৈনন্দিন ব্যায়াম কমিয়ে দেয়। তবে শীতকালে, হালকা ব্যায়াম, স্ট্রেচিং, অথবা প্রতি ১-২ ঘন্টা অন্তর অল্প হাঁটা শরীরের তাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
গরম তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন
সরষে বা নারকেল তেল দিয়ে হালকা ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। এটি শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। তাই শীতকালে ঘুমানোর আগে বা স্নানের পরে শরীর হালকা করে ম্যাসাজ করলে উপকার পাওয়া যায়।