Advertisement

ঘুমই সব! এই ১০ Sleep Tips মানলেই পাল্টে যাবে জীবন

আজকাল তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ার চল প্রায় চলেই গিয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই অনেক রাতে, দেরি করে ঘুমোন। মোবাইল ব্যবহার, কাজের চাপ এবং অনিয়মিত জীবনযাত্রাই তার মূল কারণ। আর তারফলেই কম ঘুমের সমস্যা বাড়ছে।

ঘুম সঠিক করুন! রইল ১০ টিপসঘুম সঠিক করুন! রইল ১০ টিপস
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Feb 2026,
  • अपडेटेड 1:45 PM IST
  • আজকাল তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ার চল প্রায় চলেই গিয়েছে।
  • বেশিরভাগ মানুষই অনেক রাতে, দেরি করে ঘুমোন।
  • দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের উপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।

আজকাল তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ার চল প্রায় চলেই গিয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই অনেক রাতে, দেরি করে ঘুমোন। মোবাইল ব্যবহার, কাজের চাপ এবং অনিয়মিত জীবনযাত্রাই তার মূল কারণ। আর তারফলেই কম ঘুমের সমস্যা বাড়ছে। দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের উপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। ঘুমের সময় শরীর নিজেকে মেরামত করে। শক্তি পুনরুদ্ধার করে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

কম ঘুম হলে ক্লান্তি, মনোযোগের অভাব এবং কাজের ক্ষমতা কমে যেতে পারে। অনেক সময় মাথাব্যথা, বিরক্তি এবং মানসিক চাপও বাড়তে পারে। দীর্ঘদিন এই সমস্যা চলতে থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

ঘুম মস্তিষ্কের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগের উপর প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে দৈনন্দিন কাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

ভাল ঘুমের জন্য রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহার কমানো জরুরি অভ্যাস। শান্ত পরিবেশে ঘুমোলে ঘুমের মান উন্নত হয়।

কী করবেন?
১. রাতে ঘুমের অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে ডিনার সারুন। 
২. ঘুমের ২ ঘণ্টা আগে থেকে জল পান করবেন না। খুব তেষ্টা পেরে অল্প গলা ভেজান। এতে ঘুমের মাঝে মূত্রের বেগের জন্য উঠতে হবে না। 
৩. সকালের রোদ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরের বায়োলজিকাল ক্লককে ঠিক করতে সাহায্য করে। 
৪. সন্ধ্যার পর থেকে ফোন, কম্পিউটার স্ক্রিন কম দেখুন। 
৫. সন্ধ্যার পর ঘরে টিউবলাইট না জ্বালিয়ে হালকা, নিভু নিভু আলোর অভ্যাস করুন। লালচে, হলদেটে আলো লাগান। এটি ব্রেনকে সিগন্যাল দেয় যে রাত হয়ে গিয়েছে, ঘুমের সময় এসেছে। 
৬. সর্দির ধাত না থাকলে, রাতে ঘুমের আগে উষ্ণ জলে স্নান করুন। 
৭. সন্ধ্যার পর থেকে ব্যায়াম করবেন না। 
৮. সিগারেট, মদ এড়িয়ে চলুন। 
৯. ঘুমের আগে হার্টবিট যতটা সম্ভব কম করার চেষ্টা করুন। ধ্যান করলে খুব ভাল। 
১০. রোজ এক সময়ে ঘুমোতে যান। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement