Advertisement

Measles Chicken Pox Remedies: ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে হাম, পক্সের! সংক্রমণের উপসর্গ কী- কীভাবে সারবে?

Measles Chicken Pox: এই সময়েই বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ছড়ায়। ঘরে ঘরে সর্দি, কাশি, জ্বর ইত্যাদি লেগেই থাকে। সাধারণত, মাঘ- ফাল্গুন মাসে অন্য আরও একাধিক অসুখের সঙ্গে হাম বা পক্স  হানা দেওয়ার সময়।

প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 02 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:34 PM IST

পশ্চিমবঙ্গে শীত একেবারে বিদায় লগ্নে রয়েছে। ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীত। তবে এই ঠাণ্ডা, এই গরম। ভোরের তাপমাত্রা কম, আবার বেলা বাড়তেই পারদও চড়তে থাকে। আর এই সময়েই বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ছড়ায়। ঘরে ঘরে সর্দি, কাশি, জ্বর ইত্যাদি লেগেই থাকে। সাধারণত, মাঘ- ফাল্গুন মাসে অন্য আরও একাধিক অসুখের সঙ্গে হাম বা পক্স  হানা দেওয়ার সময়। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন কীভাবে সুস্থ থাকবেন। 

হাম বা পক্স হচ্ছে ভাইরাস ঘটিত রোগ। এটি এক ধরণের ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণ, যেটি ছোঁয়াচে। বায়ুবাহিত অসুখ হওয়ায় হাম- পক্স  রোগ আটকানোর তেমন কোনও উপায় থাকে না। তবে আক্রান্ত রোগী থেকে যতটা সম্ভব দূরে থেকে কিছুটা রুখে দেওয়া যায়। যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যত বেশি, তার শরীরে রোগের প্রভাব ততটাই কম হয়।   

সাধারণ উপসর্গ 

এইসব ধরনের রোগ মূলত লক্ষণ দেখেই শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক ভাবে জ্বর, সর্দি, হাঁচি, সারা শরীরে ব্যথা ইত্যাদি দেখা যায়। পরে গায়ে বিভিন্ন দানা ও জলভর্তি ফোস্কার মতো দানা দেখা যায়।  

সাবধানতা 

সময় মতো টিকা নিলেই অনেক ভাইরাসজনিত রোগ থেকে বাঁচা যায়। রোগের লক্ষণ ধরা পড়ার পরে, বাড়ির অন্যদের সতর্ক থাকা দরকার। রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সাধারণ কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। নিজের চারপাশের পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখুন। 

শিশুদের যত্ন 

শিশুদের হাম বেশি হয়। আক্রান্ত শিশুদের প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ান। দু’বছরের কম বয়স হলে ঘন ঘন মাতৃদুগ্ধ খাওয়াতে হবে। হামে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে শিশুদের দূরে রাখুন। 

কীভাবে রোগীর যত্ন নেবেন  

যেহেতু এই রোগের নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা নেই, তাই রোগের উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই রোগী দুর্বল হয়ে যায়, তাই রোগীকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া উচিত। জলীয় বা তরল খাবার খাওয়ান রোগীকে। তেল, সাবান ব্যবহার একদমই করবেন না। রোগীকে অবশ্যই আলাদা ঘরে রাখবেন। 

Advertisement

কী খাবেন না? 

চর্বি ফ্যাট জাতীয় খাবার যেমন মাখন, তেল, বাদাম, পনির, নারকেল বা চকোলেট জাতীয় খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্যাট থাকে, যা পক্সের প্রদাহ বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়া শরীর সুস্থ রাখতে চিকিত্‍সকরা অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার খেতে বারণ করেন। বসন্ত হলে মুখের ভিতরে ছোট ছোট ক্ষত সৃষ্টি হয়, তাতে ঝাল লাগলে প্রদাহ তিনগুণ বেড়ে যেতে পারে। আখরোট, চিনাবাদাম, কিশমিশের মতো খাবারে এক প্রকার অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, যা চিকেন পক্সের জীবাণুর বংশ বিস্তার করে। এমনীতে এই অ্যাসিড শরীরের পক্ষে ভাল হলেও বসন্তের সময় তা একেবারেই খাবেন না।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement