Advertisement

World TB Day 2026: ভারতে এখনও বিপদ টিবি, কী কী লক্ষণে সাবধান? জানালেন নামী পালমোনোলজিস্ট

আজ বিশ্ব টিবি দিবস। আর ভারতে যক্ষ্মা বা টিবি এখনও অন্যতম গুরুতর সংক্রামক রোগ। এই অসুখটি ব্যাকটেরিয়ার জন্য হয়। এটা মূলত ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। 

বিশ্ব টিবি দিবসবিশ্ব টিবি দিবস
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Mar 2026,
  • अपडेटेड 2:58 PM IST
  • আজ বিশ্ব টিবি দিবস
  • ভারতে যক্ষ্মা বা টিবি এখনও অন্যতম গুরুতর সংক্রামক রোগ
  • এই অসুখটি ব্যাকটেরিয়ার জন্য হয়

(লিখছেন বিশিষ্ট পালমোনোলজিস্ট ডা: অরূপ হালদার)
আজ বিশ্ব টিবি দিবস। আর ভারতে যক্ষ্মা বা টিবি এখনও অন্যতম গুরুতর সংক্রামক রোগ। এই অসুখটি ব্যাকটেরিয়ার জন্য হয়। এটা মূলত ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। 

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এর সংক্রমণ হয়তো কিছুটা কমানো গিয়েছে। এমনকী চিকিৎসাও এগিয়ে গিয়েছে। তবে তারপরও বাস্তব পরিস্থিতি খুব একটা বদলে যায়নি। এখনও সারা পৃথিবীতে যত টিবি রোগী রয়েছেন, তার প্রায় এক-চতুর্থাংশও রয়েছেন আমাদের দেশেই।

এই ২০২৩–২০২৪ সালের হিসেবই ধরুন। ওই বছর ভারতে আনুমানিক ২৭ লাখ টিবি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে প্রায় ২৫–২৬ লাখ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। আর এত পরিমাণ টিবি চিহ্নিত হওয়ার অর্থ হল, দেশে শনাক্তকরণ ব্যবস্থা আগের থেকে অনেক বেশি উন্নত হয়েছে। পাশাপাশি এই পরিসংখ্যান চিন্তারও বটে। এর থেকে প্রমাণিত হয়ে যায় যে দেশে এখনও বড় সংখ্যক মানুষ টিবি রোগে আক্রান্ত।

যদিও ভাল খবর হল, ২০১৫ সালের পর থেকে টিবির সংক্রমণ প্রায় ২০ শতাংশ। শুধু তাই নয়, এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুহারও কমে প্রতি লাখে প্রায় ২১ জনে নেমে এসেছে। তবুও এই হার এখনও অনেকটাই বেশি। ২০২৫ সালের জাতীয় টিবি নির্মূল লক্ষ্যের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

একজন পালমোনোলজিস্ট হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হল- মাল্টিড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট টিবি (MDR-TB), অপুষ্টি, দারিদ্র্য ও অতিরিক্ত ভিড়ের পরিবেশ, যা এই রোগের সংক্রমণ বাড়িয়ে দেয়। এই সমস্ত পরিস্থিতি চিকিৎসা আরও জটিল করে তোলে। 

কোন কোন লক্ষণে সাবধান হবেন? 

  • কাশি দুই সপ্তাহের বেশি সময় কমছে না
  • বুকে ব্যথা কমছে না
  • কাশির সঙ্গে রক্ত বেরচ্ছে
  • কাশির পাশাপাশি ক্লান্তি
  • খিদে কমে যাওয়া
  • হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া
  • অত্যধিক জ্বর
  • কাঁপুনি
  • রাতের বেলায় ঘাম দেওয়া ইত্যাদি

এই সব লক্ষণ দেখা দিলেই চিকিৎসকের কাছে যান। তিনি আপনাকে স্পুটাম টেস্ট, চেষ্ট এক্স রে, সিটি স্ক্যানের বা অন্য কোনও টেস্ট দিতে পারেন। তাতেই ধরা পড়ে যাবে রোগ। তারপর শুরু করা যাবে চিকিৎসা।

চিকিৎসা কী? 
এই রোগের নির্দিষ্ট ওষুধ রয়েছে। সেই সব ওষুধ নির্দিষ্ট সময় ধরে খয়ে যেতে হবে। মোটামুটি কয়েক মাস পর্যন্ত ওষুধ খেতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজন মতো করাতে হবে টেস্ট। আর ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স টিবি হলে আরও বেশি সময় ধরে ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। তবে নিয়ম করে ওষুধ খেলে অনায়াসে রোগ থেকে সেরে ওঠা সম্ভব। 

Advertisement


বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement