Advertisement

Adeno Rhinovirus Infection: বাংলায় অ্যাডিনো, রাইনো ভাইরাস বাড়ছে, কতটা বিপদ? কীভাবে রক্ষা? নামী ডাক্তাররা জানালেন

বাংলায় এখন বসন্ত। মাঝে মধ্যে আবার হচ্ছে ঝড়বৃষ্টি। এমন পরিস্থিতিতে ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা। আর এই সব সমস্যার পিছনে অ্যাডিনো ভাইরাস এবং রাইনো ভাইরাসের হাত রয়েছে বলেই খবর। 

বাংলায় অ্যাডিনো, রাইনো ভাইরাস বাড়ছেবাংলায় অ্যাডিনো, রাইনো ভাইরাস বাড়ছে
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:27 AM IST
  • মাঝে মধ্যে আবার হচ্ছে ঝড়বৃষ্টি
  • এমন পরিস্থিতিতে ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা
  • এই সব সমস্যার পিছনে অ্যাডিনো ভাইরাস এবং রাইনো ভাইরাসের হাত রয়েছে

বাংলায় এখন বসন্ত। মাঝে মধ্যে আবার হচ্ছে ঝড়বৃষ্টি। এমন পরিস্থিতিতে ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা। আর এই সব সমস্যার পিছনে অ্যাডিনো ভাইরাস এবং রাইনো ভাইরাসের হাত রয়েছে বলেই খবর। 

যদিও প্রশ্ন হল, এই সময় হঠাৎ করে কেন বাড়তে শুরু করেছে এই সংক্রমণ? এটা কতটা চিন্তার বিষয়? এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট মেডিসিনের অধ্যাপক ডা: জ্যোতির্ময় পাল বলেন, 'বছরের এই সময় রাইনো এবং অ্যাডিনো ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ে। এটা খুব বড় কোনও ব্যাপার নয়। এটা হতেই থাকে।'

পাশাপাশি তিনি জানালেন, এই ধরনের ভাইরাসের জন্য মূলত আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জ্বর, সর্দি, কাশি এবং হাঁচির মধ্যেই বিষয়টা আটকে থাকে। এটি ছোট থেকে বড় সবার হতে পারে।

অনেক দামি টেস্ট
কলকাতার বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, 'জ্বর,সর্দি, কাশি বাড়ছে, এটা ঠিক। তবে সেটা কোন ভাইরাসের জন্য হচ্ছে, এটা বোঝা বড় কঠিন। এই বিষয়টা বুঝতে গেলে ভাইরাল প্যানেল টেস্ট দিতে হয়। আর সেই টেস্টের দাম ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মতো। তাই আমার কাছে যেই সব রোগী আসছেন, তাঁদের এই টেস্ট দিচ্ছি না। যদি খুব খারাপ দিকে যায় পরিস্থিতি, তখনই টেস্ট দেওয়া যেতে পারে। তবে এখন তেমন একটা পরিস্থিতি নেই। 

এই সময়ই বাড়ে
এই সময় ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে। সকালে গরম, রাতে রয়েছে ঠান্ডা। পাশাপাশি বাতাসে প্রচুর আর্দ্রতা রয়েছে। তাই এই সময় যে কোনও ভাইরাসের জন্যই সময়টা ভাল। তারা খুব তাড়াতাড়ি বংশবিস্তার করতে পারে। তেমনটাই রাইনো ভাইরাস এবং অ্যাডিনো ভাইরাস করছে বলে জানালেন বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডাঃ শিঞ্জিনী ঘোষ। 

নতুন কোনও স্ট্রেন?
ভাইরাসের প্রকোপ যে বেড়েছে, এই বিষয়ে সব চিকিৎসকেরাই একমত। তবে এই সংক্রমণ বৃদ্ধির পিছনে নতুন কোনও স্ট্রেন রয়েছে কি না, সেই নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি। 

সমস্যা সমাধানে কী করবেন? 
এই প্রসঙ্গে ডা: বিশ্বাস বলেন, 'সাধারণ জ্বর, সর্দি, কাশিতে প্যারাসিটামল ও অ্যান্টিঅ্যালার্জিক খেলেই রোগী সেরে ওঠেন। আর যদি শ্বাসকষ্ট হয় বা সোয়াইন ফ্লু সন্দেহ হয়, তখন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ দেওয়া হয়ে থাকে। তবে কখন কোন ওষুধ দেওয়া হবে, সেটা সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট ডাক্তারের সিদ্ধান্ত।'

Advertisement

ডা: ঘোষ বলেন, 'অনেকেই ভুল করে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ খেয়ে নেন, আর সেটাই বড় ভুল। ভাইরাল অসুখে এমনটা করা যাবে না। এমন ভুল করলে প্রাণ নিয়ে টানাটানি হতে পারে।'

পাশাপাশি তাঁর দাবি, এই সব সমস্যায় পরিমিত জল খেতে হবে। অন্যান্য পানীয় খেতে হবে। পাশাপাশি ডায়েটে রাখতে হবে শাক, সবজি এবং ফল। মাছ, মাংসও খেতে হবে। আর সবথেকে জরুরি ডাক্তার দেখান বলে জানালেন তিনি। 

রোগ প্রতিরোধে? 
১. মাস্ক পরুন
২. বেশি ভিড়ে যাবেন না
৩. হাত ধুয়ে খাবার খান

এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই উপকার মিলবে। দূরে থাকবে এই সব ভাইরাস। 

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন। 

Read more!
Advertisement
Advertisement