Advertisement

Weight Loss Medicine: ওজন কমানোর ওষুধের বিজ্ঞাপনে রাশ, এর থেকে কী কী ক্ষতি? জানুন নামী ডাক্তারদের পরামর্শ

এখন অনেকেই দ্রুত ওজন কমাতে চান। আর সেই কারণে জনপ্রিয় হচ্ছে ওজন কমানোর একাধিক ওষুধ এবং ইঞ্জেকশন। সেই ওষুধগুলির বিজ্ঞাপনও টিভি থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত হচ্ছে। আর সম্প্রতি এই ধরনের বিজ্ঞাপনের উপরই রাশ টানল ভারত সরকারের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগ। তাদের পক্ষ থেকে মূলত স্থূলতা বা ওজন কমানোর ইঞ্জেকশন, GLP-1 রিসেপ্টর তৈরির সংস্থাগুলিকে সাবধান করা হয়েছে। এই ধরনের ওজন কমানোর ওষুধ বা ইঞ্জেকশনের বিজ্ঞাপন যাতে অতিরঞ্জিত না করা হয়, এর স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ওজন কমানোর ওষুধওজন কমানোর ওষুধ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Mar 2026,
  • अपडेटेड 12:44 PM IST
  • এখন অনেকেই দ্রুত ওজন কমাতে চান
  • সেই কারণে জনপ্রিয় হচ্ছে ওজন কমানোর একাধিক ওষুধ এবং ইঞ্জেকশন
  • এই ধরনের বিজ্ঞাপনের উপরই রাশ টানল ভারত সরকারের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগ

এখন অনেকেই দ্রুত ওজন কমাতে চান। আর সেই কারণে জনপ্রিয় হচ্ছে ওজন কমানোর একাধিক ওষুধ এবং ইঞ্জেকশন। সেই ওষুধগুলির বিজ্ঞাপনও টিভি থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত হচ্ছে। আর সম্প্রতি এই ধরনের বিজ্ঞাপনের উপরই রাশ টানল ভারত সরকারের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগ। তাদের পক্ষ থেকে মূলত স্থূলতা বা ওজন কমানোর ইঞ্জেকশন GLP-1 রিসেপ্টর তৈরির সংস্থাগুলিকে সাবধান করা হয়েছে। এই ধরনের ওজন কমানোর ওষুধ বা ইঞ্জেকশনের বিজ্ঞাপন যাতে অতিরঞ্জিত না করা হয়, এর স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আর সরকারের এই পদক্ষেপকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন কলকাতার বিশিষ্ট চিকিৎসকেরা। এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা: আশিস মিত্র বলেন, 'এই ধরনের ওষুধ নিয়ে বিজ্ঞাপন করা একবারেই উচিত নয়। তাতে মানুষের মনে ভুল ধারণা তৈরি হয়। তাঁরা আমাদের কাছে এসে এই সব ওষুধ লিখতে বলেন।'

তিনি জানালেন, এই ওষুধ সাধারণত ডায়াবেটিস রোগীদের দেওয়া হয়। পাশাপাশি ওজন বেশি থাকলেও এই ওষুধ দেওয়া হয়ে থাকে। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের কিছু নিয়ম রয়েছে।

ডা: মিত্রের কথায়, 'কোনও ডায়াবেটিস রোগীর যদি বিএমআই ৩৫-এর উপর থাকে, তাহলে এই ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া ডায়াবেটিসের পাশাপাশি যদি স্লিপ অ্যাপনিয়া বা অন্য কোনও কোমর্বিডিটি থাকে, তাহলে ৩০ বিএমআই-তেই এই ওষুধটা দেওয়া যায়।' পাশাপাশি তিনি জানালেন যে, এটা ওজন কমানোর কোনও ম্যাজিক ড্রাগ নয়। 

এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা: অনির্বাণ দোলুই বলেন, 'টাইপ ২ ডায়াবেটিসের জন্য তৈরি এই ওষুধ, যা এখন ওজনের কমানোর জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি একটি শিডিউল এইচ ওষুধ, যা কেবল ডাক্তারের পরামর্শে নেওয়া উচিত। কিন্তু বিজ্ঞাপন দেখার পর মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই এই ওষুধ ব্যবহার করছেন, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে থাইরয়েড টিউমার বা অগ্ন্যাশয় প্রদাহের ঝুঁকি থাকতে পারে।'

পাশাপাশি তাঁর দাবি, বিজ্ঞাপনগুলো প্রায়শই 'চেহারায় পরিবর্তনের' ওপর জোর দেয়। এটা মানুষের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর শারীরিক ইমেজের জন্ম দেয়। এর ফলে সাধারণ ওজনের মানুষও কেবল 'স্মার্ট' বা রোগা হওয়ার জন্য এই ওষুধের কথা বলতে থাকেন। কিন্তু সেটার কোনও প্রয়োজনই নেই। 

Advertisement

সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক উৎসব দাসও। তিনি বলেন, 'ওজন কমানোর জন্য এই সব ওষুধ ব্যবহার শুরু হয়েছে। বেশ কিছু ভারতীয় সংস্থাও এই ওষুধ আনতে চলেছে। তারা এর বিজ্ঞাপন করছে। সেটা নিয়েই কড়া নির্দেশ দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোল।'

তিনি আরও জানান, এই ধরনের বিজ্ঞাপন দেখে মানুষের মনে ভুল ভাবনা জন্ম নেয়। তাঁরা ভাবতে শুরু করেন দ্রুত ওজন কমিয়ে দিতে পারে এই সব ওষুধ। যদিও বিষয়টা একবারেই তেমন নয়। এই ওষুধ বা ইঞ্জেকশন দ্রুত ওজন কমায় না। আর অনেক ক্ষেত্রে ওজন এতটাই কমে যায় যে মাসেল মাস নষ্ট হয়। তখন ইমিউনিটি কমে যাওয়া থেকে শুরু করে আরও বড় অসুখ নিতে পারে পিছু। তাই তিনিও এই ওষুধের সঠিক ব্যবহারের পক্ষেই সওয়াল করলেন। 

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র শিক্ষার উদ্দেশে লেখা হয়েছে। আমাদের তরফে এই তথ্যকে নিশ্চিত বলে জানান হচ্ছে না।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement