Advertisement

Poor Sleep Impact: ভাল ডায়েট, জিম সবই বৃথা হবে! পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে অকালমৃত্যু হতে পারে, বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা...

Sleep: আপনার যদি পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, তাহলে এর পরিণতি গুরুতর হতে পারে এবং এমনকি আপনার আয়ুও কমিয়ে দিতে পারে। সহজ কথায়, এই গবেষণাটি দেখায় যে ঘুমের অভাব কেবল ক্লান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং এটি সরাসরি আপনার মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 14 Jan 2026,
  • अपडेटेड 7:33 PM IST

বর্তমান সময়ের দ্রুতগতি ও ব্যস্ত জীবনযাত্রায় বেশিরভাগ মানুষ ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন। হয় তারা কম ঘুমাচ্ছেন অথবা তাদের গভীর ঘুম হচ্ছে না। এর অনেক কারণ থাকতে পারে। দেরিতে ঘুমানো এবং সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার পর মানুষ প্রায়ই সকালে ক্লান্ত ও অলস বোধ করে।

সম্প্রতি একটি নতুন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, মানুষ মনে করে কম ঘুমের প্রভাব কেবল পরের দিন পর্যন্তই থাকে, এই ধারণাটি ভুল। আপনার যদি পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, তাহলে এর পরিণতি গুরুতর হতে পারে এবং এমনকি আপনার আয়ুও কমিয়ে দিতে পারে। সহজ কথায়, এই গবেষণাটি দেখায় যে ঘুমের অভাব কেবল ক্লান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং এটি সরাসরি আপনার মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

গবেষণা কী বলছে?

আরও পড়ুন

ওরেগন হেলথ অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটির (OSHU) একটি গবেষণা অনুসারে, অপর্যাপ্ত ঘুম আসলে আপনার আয়ু কয়েক বছর কমিয়ে দিতে পারে। গবেষকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-র স্বাস্থ্য অভ্যাস সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

বিজ্ঞানীদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। গবেষণা দেখায় যে, যারা ধারাবাহিকভাবে দিনে ৭ ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের ১০০ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কম। পরিসংখ্যান অনুসারে, যারা পর্যাপ্ত ঘুম পান না, তাদের গড় আয়ু পর্যাপ্ত ঘুম পাওয়া ব্যক্তিদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের চেয়েও ঘুম বেশি গুরুত্বপূর্ণ

সুস্থ থাকার জন্য মানুষ প্রায়ই ভাল খাদ্যাভ্যাস এবং ব্যায়ামের উপর জোর দেয়, কিন্তু এই গবেষণার ফল সবাইকে অবাক করেছে। গবেষকরা বলছেন, দীর্ঘায়ুর ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের চেয়েও ঘুম বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ধূমপানের পর, ঘুমের অভাব হল দ্বিতীয় বৃহত্তম কারণ যা আপনার জীবন অকালে শেষ করে দিতে পারে। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, যেসব এলাকায় মানুষ কম ঘুমায়, সেখানে মানুষ তাড়াতাড়ি মারা যায় এবং তাদের আয়ু কম হয়।

Advertisement

এটি শরীরের উপর কী প্রভাব ফেলে?

বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেছেন যে, ঘুমের সময় শরীর একটি 'জৈবিক রিসেট' মোডে থাকে। প্রকৃতপক্ষে, যখন কেউ কম ঘুমায়, তখন শরীরে প্রদাহ বাড়ে এবং বিপাক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এটি হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন করে তোলে, যা ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে এবং বিষণ্ণতা, উদ্বেগ ও আলঝেইমারের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ভাল ঘুমের জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

গবেষণাটির প্রধান লেখক অ্যান্ড্রু ম্যাককাহিল বলেন, আমাদের ঘুমকে 'বিলাসের' পরিবর্তে একটি 'প্রয়োজনীয়তা' হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তিনি একটি নির্দিষ্ট ঘুমের সময় নির্ধারণ করার, ঘুমানোর আগে স্ক্রিন টাইম (মোবাইল/টিভি) সীমিত করার এবং সপ্তাহান্তে ঘুম পুষিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে প্রতিদিন রাতে নিয়মিত ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দেন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement