
বাংলায় নিপা ভাইরাস হানা দিয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২ নার্সের শরীরে এই ভাইরাস মিলেছে বলে সন্দেহ। আর এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কিছু খাবার খেয়ে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে হবে। বিশেষত, ইমিউনিটি যাতে উপরের দিকে থাকে, সেটা চেষ্টা করা দরকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইমিউনিটি বেশির দিকে থাকলে ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা অনেক বেশি সহজ হবে। এমনকী রোগব্যাধি শরীরে আঘাত আনতে পারবে না খুব সহজে। তাই সাবধান হন।
এখন প্রশ্ন হল, এই পরিস্থিতিতে ইমিউনিটি বাড়বেন কীভাবে? সেক্ষেত্রে ৫ খাবার ডায়েটে রাখা হল মাস্ট। আর সেই সব খাবারগুলি নিয়েই আলোচনা হল নিবন্ধটিতে।
কমলালেবু হল মাস্ট
শীতের অত্যন্ত উপকারী একটি ফল হল কমলালেবু। এটা নিয়মিত খেলেই শরীর ভাল থাকবে। বাড়বে ইমিউনিটি।
আসলে এই ফলে রয়েছে ভিটামিন সি-এর ভাণ্ডার। তাই নিয়মিত কমলালেবু খেলেই উপকার মিলবে। শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফিরে যাবে।
আপেলও থাকুক
সেরার সেরা একটি ফল হল আপেল। এতে রয়েছে ভিটামিন সি। পাশাপাশি জরুরি সব অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও আপেলে উপস্থিত। তাই নিয়মিত আপেল খাওয়া শুরু করুন। এই ফলটা নিয়মিত খেলেই শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে পারবেন। এমনকী বাড়বে ইমিউনিটি। বড়সড় রোগের ফাঁদ এড়িয়ে যেতে পারবেন।
আমলকীও খেতে হবে
আয়ুর্বেদ মতে, ফলের রাজা হল আমলকী। এই ফলের রয়েছে সেরা সব গুণ। আর এই কথাটা স্বীকার করে নিচ্ছে মডার্ন সায়েন্সও। এই ফলেও রয়েছে ভিটামিন সি-এর ভাণ্ডার। তাই নিয়মিত আমলকী খেলেও লাভ মিলবে। ইমিউনিটি বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশষজ্ঞরা।
ব্রকোলি খান
এই সময় ব্রকোলি খুব সস্তায় মিলছে। আর এই সবজিতেও বেশ কিছুটা পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। শুধু তাই নয়, এতে উপস্থিত ভিটামিন সি-ও। তাই নিয়মিত ব্রকোলি খান। এটা খেলেই শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফিরে যাবে। ইমিউনিটিও বৃদ্ধি পাবে।
চিকেন থাকুক
আপনাকে অবশ্যই চিকেন খেতে হবে। এটা হল প্রোটিনের ভাণ্ডার। পাশাপাশি জিঙ্ক ও আয়রনও রয়েছে এতে। তাই নিয়মিত চিকেন খেতে হবে।
এছাড়া ডিম খেতে হবে রোজ। তাতেও ভাল পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। এই প্রোটিনও ইমিউনিটি বাড়াবে। তাই চিন্তা নেই।
জরুরি কথা
বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।