Advertisement

Vitamin b12 deficiency: ১-২ পেগ মদ খেলেও হতে পারে এই ৬ সমস্যা, জেনে রাখা দরকার

যাঁরা নিয়মিত দিনে ১-২ পেগ মদ পান করেন, তাঁদের জন্যও রয়েছে সতর্কবার্তা। অনেকেই ভাবেন, অল্প পরিমাণে মদ্যপান করলে শরীরে তেমন ক্ষতি হয় না। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এই ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়। বরং অল্প পরিমাণ অ্যালকোহলও শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে ভিটামিন বি ১২-এর ক্ষেত্রে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 25 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:44 PM IST
  • যাঁরা নিয়মিত দিনে ১-২ পেগ মদ পান করেন, তাঁদের জন্যও রয়েছে সতর্কবার্তা।
  • অনেকেই ভাবেন, অল্প পরিমাণে মদ্যপান করলে শরীরে তেমন ক্ষতি হয় না।

যাঁরা নিয়মিত দিনে ১-২ পেগ মদ পান করেন, তাঁদের জন্যও রয়েছে সতর্কবার্তা। অনেকেই ভাবেন, অল্প পরিমাণে মদ্যপান করলে শরীরে তেমন ক্ষতি হয় না। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এই ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়। বরং অল্প পরিমাণ অ্যালকোহলও শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে ভিটামিন বি ১২-এর ক্ষেত্রে।

অ্যালকোহল ও ভিটামিন বি ১২-এর সম্পর্ক
ভিটামিন বি১২ আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটি লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে, স্নায়ুর সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখে এবং ডিএনএ সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। কিন্তু অ্যালকোহল শরীরে প্রবেশ করার পর যকৃত ও পরিপাকতন্ত্রে প্রভাব ফেলে। এর ফলে পাকস্থলীর আস্তরণে প্রদাহ তৈরি হয়, যা খাবার থেকে ভিটামিন বি ১২ শোষণের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে শরীরে বি১২-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

ভিটামিন বি১২-এর অভাবের প্রভাব
এই ভিটামিনের ঘাটতি শুরুতে সহজে বোঝা না গেলেও ধীরে ধীরে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে দেখা দিতে পারে-
অকারণ ক্লান্তি ও দুর্বলতা
হাত-পায়ে ঝিনঝিন ভাব
স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া
মাথা ঘোরা বা শ্বাসকষ্ট
ত্বক ফ্যাকাশে বা হলদেটে হয়ে যাওয়া
স্নায়বিক সমস্যা

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, যারা নিয়মিত অল্প পরিমাণেও অ্যালকোহল পান করেন, তাঁদের মধ্যে রক্তাল্পতা ও স্নায়বিক সমস্যার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ থাকতে অ্যালকোহল যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো। যদি সম্পূর্ণভাবে ছাড়তে না পারেন, তবে অন্তত পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া উচিত। পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় দুধ, ডিম, মাছ-মাংসের মতো ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্টও নেওয়া যেতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করে শরীরে ভিটামিন বি১২-এর মাত্রা সম্পর্কে সচেতন থাকা। এখন থেকেই সতর্ক হলে ভবিষ্যতের বড় সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

দ্রষ্টব্য: এই তথ্য সাধারণ গবেষণা ও বিশেষজ্ঞ মতামতের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement