
বসন্ত চলছে। মার্চ মাসেই তাপমাত্রার পারদ ধীরে ধীরে চড়তে শুরু করেছে। বলা যায়, ইতিমধ্যেই গরমের আঁচ পেতে শুরু করেছে শহরবাসী। এদিকে আবহাওয়ার পূর্বাবাস, এবার গরমের জন্য যথেষ্ট বেগ পেতে হবে। গ্রীষ্মকাল আসার আগেই দরকার হচ্ছে এয়ার কন্ডিশনার অর্থাৎ এসির। অনেকেই স্বস্তি পেতে এসি কিনছেন।
নতুন এসি কেনার আগে, মানুষের মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন থাকে, কত টন এসি কিনবেন। জেনে নিন, কত টন ব্যবহার করলে ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা আরামদায়ক হবে এবং বিদ্যুতের বিলও কম আসবে।
ঘরের মাপ অনুযায়ী এসির টন
একটি এসির শীতল ক্ষমতা বোঝাতে টন ব্যবহার করা হয়। টন যত বাড়ে, এসির দাম এবং বিদ্যুৎ বিলও প্রভাবিত হয়। এসির ক্ষমতা সাধারণত ০.৮ টন থেকে শুরু হয়। এটি চালালে আপনার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল সামান্যই বাড়বে। অন্যদিকে একটি ০.৮-টন এসি কেবল ১০০ বর্গফুট এলাকা বিশিষ্ট একটি ঘরকে ঠান্ডা করতে পারে। যদি আপনার ঘর বড় হয়, তাহলে এই এসি পর্যাপ্ত শীতলতা প্রদান করতে সক্ষম হবে না। একটি ১-টন এসি ১০০ থেকে ১৫০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে থাকবে। তবে, ১-টন এসি ০.৮-টন এসির চেয়ে ভাল শীতলতা প্রদান করবে।
১.৫ টনের একটি এসি সহজেই ১৫০-২০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে ব্যবহার করা যাবে। এতে আপনার বিদ্যুৎ বিলও বৃদ্ধি পাবে। ২ টনের একটি এসি বড় লিভিং রুম বা বড় কক্ষে ব্যবহার করা হয়। এটি ২৫০ থেকে ৩৫০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে, এটি আপনার বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।
এসি কেনার সময় কী মাথায় রাখবেন?
এসি কেনার সময়, সব সময় ভারতের ব্যুরো অফ এনার্জি এফিসিয়েন্সি (BEE) স্টার রেটিং বিবেচনা করুন। একটি এসি যত বেশি স্টার হবে, তত বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হবে। সর্বোচ্চ রেটিং হল ৫ স্টার।