Advertisement

Acidity Problem: পুজোয় জমিয়ে খান ফুচকা-রোল, ৫ টোটকায় গ্যাস-অম্বলে ভুগবেন না

Acidity Problem: পেট খারাপ কিংবা অ্যাসিডিটির সমস্যাতে কেউ ভোগেন তাহলে পুজোয় ঘোরার আনন্দটাই মাটি হয়ে যায়। ফলে পুজোর এই পাঁচটা দিন খাওয়া দাওয়ার সঙ্গেও সতর্ক থাকতে হয়। জেনে নিন এই ৫ টোটকা সম্পর্কে। পুজোয় গ্যাস-অম্বলের সমস্যা থেকে পাবেন রেহাই। 

দুর্গাপুজো। (ছবি দুটি -প্রতীকী )দুর্গাপুজো। (ছবি দুটি -প্রতীকী )
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 09 Sep 2022,
  • अपडेटेड 11:21 AM IST
  • পুজোয় জমিয়ে খান ফুচকা-রোল
  • ৫ টোটকায় গ্যাস-অম্বলে ভুগবেন না
  • জানুন বিস্তারিত তথ্য

Acidity Problem: পুজোর পাঁচটা দিন বাইরে ফুচকা, চাউমিন, এগরোল আবার সঙ্গে বিরিয়ানি তো থাকেই। চলে দেদার খানাপিনা আর আড্ডা। কিন্তু এই সময়ে যদি পেট খারাপ কিংবা অ্যাসিডিটির সমস্যাতে কেউ ভোগেন তাহলে পুজোয় ঘোরার আনন্দটাই মাটি হয়ে যায়। ফলে পুজোর এই পাঁচটা দিন খাওয়া দাওয়ার সঙ্গেও সতর্ক থাকতে হয়। জেনে নিন এই ৫ টোটকা সম্পর্কে। পুজোয় গ্যাস-অম্বলের সমস্যা থেকে পাবেন রেহাই। 

মৌরিতে সুবিধা মেলে

মৌরি পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ করে, তাই মৌরি প্রতিদিন খাবার পরে খাওয়া উচিত এবং যাঁদের প্রায়ই গ্যাসের সমস্যা থাকে তাঁদের জন্য মৌরি খুবই উপকারী। আধ কাপ গ্লাসে ঠাণ্ডা দুধ ও আধা গ্লাস জলে এক চা চামচ মৌরি ও এক চিমটি এলাচের গুঁড়ো এবং এক চা চামচ চিনির গুঁড়ো মিশিয়ে পান করলে পেট ঠান্ডা হয় এবং অ্যাসিডিটিও দূর হয়। খাবার খাওয়ার পর এটি খেলে খাদ্যনালী ভালোভাবে পরিষ্কার হয়।

আদা ঘরোয়া প্রতিকার

আদা হজম প্রক্রিয়ার উন্নতির জন্য একটি নিশ্চিত ওষুধ, এটি অম্বলের মতো সমস্যা নিরাময় করে। প্রতিদিন খাবার খাওয়ার পর এক চামচ আদা ও লেবুর রস পান করলে গ্যাসের সমস্যা সেরে যায়।

জিরে হজম প্রক্রিয়াকেও শক্তিশালী করে

জিরেতে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। এটি পাচনতন্ত্রের জন্যও অত্যন্ত ভালো। দই, বাটার মিল্কের সঙ্গে জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে পান করলে গ্যাসের সমস্যাও দূর হয়।

পেঁপে হজমশক্তি বাড়ায়

পেঁপে খেলে পেটের সব রোগ সেরে যায়। এতে পেকটিন নামক উপাদান থাকে যা পাকস্থলীর জন্য উপকারী। যাঁরা পেঁপে খান, তাঁরা কখনই অ্যাসিডিটির সমস্যায় পড়বেন না। 

আমলকি খেলে অ্যাসিডিটি দূর হবে

আমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। আমলকি পেটের যে কোনো সমস্যার নিরাময়। প্রতিদিন আমলকি খেলে পেট সংক্রান্ত সমস্যা সেরে যায়। তবে সমস্যা খুব বেশি হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ করে নেওয়া উচিত। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement