
কোথাও বেড়াতে যাবেন, কিংবা কোনও অনুষ্ঠান আছে, হঠাৎ দেখলেন মুখে ব্রণ। সেক্ষেত্রে পুরো মেজাজটাই বিগড়ে যায়। যদিও সুষম খাবার খেলে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করলে বাড়ালে ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে এটি অনেক সময় সাপেক্ষ।
ব্রণ ত্বকের এমন একটি সমস্যা, যা খুবই সাধারণ এবং সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালে বেশিরভাগ মানুষের হয়। এর কারণ হরমোনের পরিবর্তন, মানসিক চাপ বা কখনও কখনও জিন। তবে কখনও কখনও কুড়ি বছরের শেষের দিকে এবং তার পরেও দেখা দেয়। যার বিভিন্ন কারণ রয়েছে যেমন জীবনধারা, ভাজাভুজি খাবার, মানসিক চাপ।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মুখে ব্রণ দেখা দেয়। তবে কখনও কখনও শরীরের অন্যান্য অংশেও ব্রণ দেখা দেয়। মৃত ত্বকের কোষ এবং ব্যাকটেরিয়া আপনার ছিদ্র বন্ধ করে দিলে এগুলি হয়। আপনি যদি ব্রণর সমস্যার সম্মুখীন হন এবং এর জন্য ঘরোয়া প্রতিকার খুঁজছেন, তাহলে রসুন কাজে লাগতে পারে।
ব্রণর জন্য রসুন
রসুনের ঔষধি গুণাবলীর কারণে বহু শতাব্দী ধরে অনেক ছোটখাটো রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। রসুনে অ্যালিসিন নামক একটি শক্তিশালী যৌগ রয়েছে যা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে ব্রণতে রসুনের ব্যবহার সহায়ক হতে পারে।
রসুনে মজুত ভিটামিন- খনিজ পদার্থ
রসুনে ভিটামিন সি রয়েছে যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ভিটামিন বি-৬, সেলেনিয়াম এবং তামা সমৃদ্ধ যা ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এতে জিঙ্ক রয়েছে যা সিবামের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
অ্যালিসিন প্রদাহ প্রতিরোধ করে। এটি ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, এটি ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতেও সাহায্য করে। রসুন রক্ত সঞ্চালনও উন্নত করে, যা নিশ্চিত করে যে রক্ত এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ত্বকে সঠিকভাবে পৌঁছায়। এটি ত্বককে সুস্থ রাখে।
যদিও ত্বকের জন্য রসুনের উপকারিতা সম্পর্কে কোনও দৃঢ় বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবুও অনেক বিশেষজ্ঞ ত্বকের সমস্যা বা ব্রণের ক্ষেত্রে রসুনকে উপকারী বলে মনে করেন কারণ এর অনেক গুণ রয়েছে। তবে রসুন ব্যবহারের আগে, আপনার চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞর সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।