
নারকেল জল কেবল সুস্বাদুই নয়, এটা আপনার শরীরকে হাইড্রেটও রাখে। এ ছাড়াও, এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ইলেক্ট্রোলাইট রয়েছে যা শরীরকে অনেক উপকার করে। এটি আপনার শরীরকে শক্তি দেয় যাতে আপনি ব্যায়াম করার সময় দুর্বল বোধ না করেন। নারকেল জল আমাদের শরীরের রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে।
আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নারকেল জল অন্তর্ভুক্ত করলে আপনার অনেক উপকার হতে পারে তবে এটি সবার জন্য নিরাপদ নয় এবং যদি আপনি কোনও শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তবে এটা খাওয়ার আগে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।
কিডনির সমস্যা মেটাতে
ডাবের জলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম। আর কিডনির সমস্যা হলে পটাসিয়াম কমানোর ওষুধ খেয়ে থাকেন অনেকে। সেক্ষেত্রে ডাবের জল খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে
আপনার যদি উচ্চ রক্তচাপ থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডাবের জল খাওয়া উচিত নয়। আসলে ডাবের জলে বেশি পরিমাণ পটাসিয়াম থাকে। যা ব্লাড প্রেসারের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
ডায়াবেটিসের সমস্যা কমাতে
ডাবের জলে প্রাকৃতিক সুগার থাকে, যার জন্য ডায়াবেটিক রোগীর সীমিত পরিমাণে ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যথায়, রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে
ডাবের জল খেলে অনেকেরই পেটে ব্যথা, ডায়েরিয়ার মতো সমস্যা হয়। তাই হজম ক্ষমতায় এমন কিছু অনুভূত হলে অবশ্যই বুঝেশুনে ডাবের জল খাওয়া উচিত।
ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি
যদিও ডাবের জলের ক্যালোরি খুবই কম। কিন্তু শাঁসওয়ালা ডাবের ক্ষেত্রে ক্যালোরি বেশ বেশি থাকে। তাই ওজন কমাতে হলে রোজ না খেয়ে মাঝে মাঝে ডাবের জল খান।
বেশিরভাগ তরল পদার্থের (যেমন জল, জুস, শেক) মতো, নারকেল জলও আপনার দৈনন্দিন হাইড্রেশনের চাহিদা পূরণে সাহায্য করতে পারে। নারকেল জলে মূলত কার্বোহাইড্রেট এবং সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্লোরাইডের মতো ইলেক্ট্রোলাইট যুক্ত জল থাকে। ইলেক্ট্রোলাইট আপনার শরীরে তরল পদার্থের ভারসাম্য বজায় রাখে। এর সঙ্গে, এটি আপনার শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা করে।