Advertisement

Hair Transplant: হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করে মৃত্যু! এই সব ভুলেই প্রাণ গেল ৩০-র ব্যক্তির

Hair Transplant: এই ব্যস্ত জীবনযাত্রায় চুল পড়া খুবই সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নারী-পুরুষ উভয়েই টাক পড়ার সমস্যায় ভুগছেন। টাক পড়ার সমস্যার কারণে, মানুষ প্রায়শই তাদের যৌবনে বৃদ্ধ দেখাতে শুরু করে। অনেক সময় ভুল লাইফস্টাইলের কারণে টাক পড়ার সমস্যা হয়ে থাকে, আবার অনেক সময় এই সমস্যাটি জেনেটিকও হতে পারে।

প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 Sep 2022,
  • अपडेटेड 6:55 PM IST
  • এই ব্যস্ত জীবনযাত্রায় চুল পড়া খুবই সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে
  • নারী-পুরুষ উভয়েই টাক পড়ার সমস্যায় ভুগছেন
  • টাক পড়ার সমস্যার কারণে, মানুষ প্রায়শই তাদের যৌবনে বৃদ্ধ দেখাতে শুরু করে

Hair Transplant: এই ব্যস্ত জীবনযাত্রায় চুল পড়া খুবই সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নারী-পুরুষ উভয়েই টাক পড়ার সমস্যায় ভুগছেন। টাক পড়ার সমস্যার কারণে, মানুষ প্রায়শই তাদের যৌবনে বৃদ্ধ দেখাতে শুরু করে। অনেক সময় ভুল লাইফস্টাইলের কারণে টাক পড়ার সমস্যা হয়ে থাকে, আবার অনেক সময় এই সমস্যাটি জেনেটিকও হতে পারে।

হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট হল এমন একটি পদ্ধতি যার মধ্যে মাথার পিছন বা পাশ থেকে চুল নেওয়া হয় যেখানে ঘন চুল থাকে, আর যেখানে চুল নেই সেখানে লাগানো হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। এই সার্জারিতে টাক পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া গেলেও মাঝে মাঝে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারও সম্মুখীন হতে হয়। এই যেমন, ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মাথার চুল প্রতিস্থাপন করে প্রাণ খোয়াতে হয়।

জামিয়ায় বসবাসকারী আতহার রশিদ নামে এক ব্যক্তিকে জুন মাসে মাথার চুল প্রতিস্থাপনের পর প্রাণ হারাতে হয়। তাঁর পরিবার এখন ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। রোহিণীর একটি সেলুনে আতহারের চুল প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল, যার পরে তাঁকে প্রাণ হারাতে হয়েছিল। আতহার হয়তো স্বপ্নেও ভাবেনি যে তাঁর সঙ্গে এমন কিছু হবে। তবে এই মামলার পর হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করা সেই সেলুনকেও হাইকোর্ট ভর্ৎসনা করে।

দিল্লি হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের পর হেয়ার ট্রান্সপ্লান্টের বিষয়ে নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এই পরামর্শে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র যোগ্য চিকিৎসকরাই হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করতে পারবেন। একই সময়ে, তাদের সহকারীরাও সক্ষম হওযেখানে আইসিইউ সুবিধা রয়েছে যাতে কোনো সমস্যা হলে রোগীকে সেখানে ভর্তি করা যায়।

এর পাশাপাশি, ট্রান্সপ্লান্ট করা ব্যক্তিকে প্রথমে এর পদ্ধতি এবং অসুবিধাগুলি সম্পর্কে জানাতে হবে। এছাড়াও, শুধুমাত্র সেই ব্যক্তিরাই চুল প্রতিস্থাপন করতে পারবেন যারা এর জন্য সম্পূর্ণ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। অর্থাৎ তাদের একটি মেডিকেল ব্যাকগ্রাউন্ড থাকতে হবে। সেই সঙ্গে পরামর্শে এটাও বলা হয়েছে যে, যে জায়গায় অস্ত্রোপচার করা হবে, সেটিকে হাসপাতালের সঙ্গে সংযুক্ত হতে হবে। 

Advertisement

কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন,  চুল প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়াটি সহজ, তবে এটি করা ব্যক্তির যদি এটি সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য না থাকে তবে এটি মারাত্মক প্রমাণিত হতে পারে। তাই আপনিও যদি টাক পড়ার সমস্যার কারণে হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করার কথা ভাবেন, তাহলে অবশ্যই দেখে নিন জায়গাটি নির্ভরযোগ্য কিনা। 

হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করালে  সচেতন থাকবেন?
হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করার সময়, মনে রাখবেন যে শুধুমাত্র একজন যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসক যিনি এই সার্জারি করেছেন তাদের লাইসেন্স থাকতে হবে। হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করার আগে কৌশলগুলি সম্পর্কে সচেতন থাকা গুরুত্বপূর্ণ। চুল প্রতিস্থাপনে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা হয়। কোন প্রযুক্তি আপনার জন্য ভাল সে সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ। এই পদ্ধতিটি সার্জারি প্রোটোকল সহ একটি স্বীকৃত এবং ভাল হাসপাতালে করা উচিত। 

Read more!
Advertisement
Advertisement