Egg Expiry Date: ডিম পুষ্টিতে ভরপুর। একটি বড় ডিম খেলে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়, যা পেশীর শক্তি বাড়ায়। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ উপাদানও রয়েছে। কিন্তু জানেন কি ডিমেরও এক্সপায়ারি ডেট থাকে?
কীভাবে একটি ডিম বাসি হয়?
কয়েক দিন পরে, ডিমটি নষ্ট হতে শুরু করে এবং তার পুষ্টি হারাতে থাকে। শুধু তাই নয়, এর মধ্যে ব্যাকটেরিয়া বাড়তে শুরু করে, যা শরীরের অন্দরে গণ্ডগোল তৈরি করতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কত দিন পর ডিম খাওয়া যায় এবং কীভাবে ফ্রেশনেস পরীক্ষা করা যায়?
ডিমের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ কত?
ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) ডিমের শেল্ফ লাইফ দিয়েছে। তাদের মতে, ডিম ফোটার পর যদি ঘরের তাপমাত্রায় (২৮+/-২°C) ডিম রাখা হয়, তাহলে তা ১০-১২ দিন পর্যন্ত তাজা থাকতে পারে। তবে ঘরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে এর ফ্রেশনেস দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
ডিম ফ্রিজে বেশি দিন তাজা থাকে
ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার মতে, ফ্রিজে ঠান্ডা তাপমাত্রায় ডিম সংরক্ষণ করলে তা ৪-৫ সপ্তাহের পরেও ভোজ্য থাকতে পারে। কিন্তু এই সময়ের পরে তাদের গুণমান হ্রাস পেতে শুরু করে এবং সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে।
ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা ও জ্বর হতে পারে
সালমোনেলা হল একটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ যা বাসি বা নোংরা খাবার বা তরল খাওয়ার ফলে হয়। এই সংক্রমণে পাতলা মল , পেটে ব্যথা, জ্বর, বমি, বমি বমি ভাব, ঠাণ্ডা লাগা, মাথাব্যথা, মলে রক্ত পড়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়।
ডিমের কুসুমের ফ্রেশনেস পরীক্ষা করুন
FSSAI বলে যে আপনি যখন তাজা ডিম সেদ্ধ করেন এবং সেগুলিকে লম্বা করে কাটেন, আপনি সাধারণত মাঝখানে কুসুম দেখতে পাবেন। কিন্তু যদি এটি নরম হয় বা মাঝখানে না থাকে তবে ডিমটি বালি হওয়ার ঝুঁকিতে থাকতে পারে।
জলে ডুবিয়ে পরীক্ষা করুন
তাজা ডিম সনাক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল সেগুলিকে জলে ডুবিয়ে রাখা। এক গ্লাস জল নিয়ে তাতে একটি ডিম দিন। ডিম তাজা হলে, এটি সম্পূর্ণরূপে পাত্রের নীচে লেগে থাকবে। অন্যদিকে , এটি সামান্য পুরানো হলে ডিম উপরের দিকে উঠবে এবং খারাপ বা মেয়াদোত্তীর্ণ ডিম জলের উপরে ভেসে উঠবে।
Disclaimer: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি কোনোভাবেই কোনো ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। আরও বিস্তারিত জানার জন্য সর্বদা আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।