
দুধ, ঘি, তেল, ফল এবং সবজি আজকাল সব খাবারেই ভেজাল। অধিক মুনাফা অর্জনের জন্য ভেজাল রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। আপনি কি জানেন আপনার রান্নাঘরে উপস্থিত হলুদ, লাল লঙ্কাতেও ভেজাল রাসায়নিক ব্যবহার করা হতে পারে?
ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) ক্রেতাদের সচেতন করার জন্য সম্প্রতি ট্যুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার করে। এই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে বাজারে বিক্রি হওয়া ভেজাল হলুদের রাসায়নিক রং ব্যবহার করে কীভাবে গুণগত মান নষ্ট করা হয়। রাসায়নিক রং আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হতে পারে।
একইভাবে, লাল লঙ্কার গুঁড়োয় মেশানো হচ্ছে ইটের গুঁড়ো, টাক পাউডার, সাবান বা বালি। তাই বাজার থেকে এই মশলাগুলি কেনার সময় গ্রাহকদের সতর্ক হওয়া উচিত। FSSAI টুইটারে ভিডিওর মাধ্যমে জানিয়েছে কীভাবে ভেজাল জিনিস কেনার থেকে বিরত থাকবেন।
লাল লঙ্কার গুঁড়ো আসল না নকল বুঝবেন কীভাবে?
লাল মরিচে ইটের গুঁড়ো বা বালির মতো জিনিস ব্যবহার করে। এটি শনাক্ত করতে, অর্ধেক গ্লাস জল নিন। এতে এক চা চামচ লাল লঙ্কার গুঁড়ো দিন। কাঁচের চামচ দিয়ে নাড়াচাড়া না করে কাঁচের নীচের অংশে গুঁড়ো থিতিয়ে যেতে দিন। এর পর ভিজিয়ে রাখা গুঁড়ো হাতের তালুতে হালকাভাবে ঘষুন। ঘষার সময় যদি খসখসে কিছু অনুভব করেন, তাহলে বুঝতে হবে এটি ভেজাল। যদি আপনি চর্বিযুক্ত বোধ করেন, যদি চ্যাটচ্যাটে হয় তোলে বুঝতে হবে এতে সাবান পাউডার ব্যবহার করা হয়েছে।
হলুদ আসল নাকি নকল বুঝবেন কীভাবে?
একইভাবে আপনি হলুদের গুণমানও পরীক্ষা করতে পারেন। এ জন্য কাচের গ্লাসে অর্ধেক জল নিন। এর পরে এতে এক চামচ হলুদ মেশান। যদি হলুদ পুরোপুরি মিলিয়ে গিয়ে জলের রং হালকা হলুদ হয়ে যায়, তাহলে ভেজাল নেই। যদি হলুদ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই জলের রং বদলে যায় বুঝবেন এতে হলুদ রাসায়নিক মেশানো।