
আধুনিক জীবনযাপনে বাড়ছে হার্টের সমস্যা। এই প্রবণতা গোটা বিশ্বের সঙ্গে ভারতেও ধরা পড়েছে। এজন্য মানুষের জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস দায়ী। হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে পারছেন না নিয়ম মেনে চলা ব্যক্তিরাও। সাম্প্রতিক উদাহরণ- অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা, কন্নড় সুপারস্টার পুনীত রাজকুমার, গায়ক কে কে এবং রাজু শ্রীবাস্তব-সহ একের পর এক সেলিব্রিটির মৃত্যু। আগে থেকে লক্ষণ ধরতে না পারলেই বিপদ। মত চিকিৎসকদের। হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলি জানতে পারলে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়। অন্যথায় জীবন দিয়ে দাম গিতে হয়। হার্টে অসুখ হলে কীভাবে বুঝতে পারবেন, চলুন জেনে নেওয়া যাক লক্ষণগুলি-
১। বুকে ব্যথা- প্রায়শই বুকে ব্যথা বা ভারী ভাব অনুভব করলে বুঝবেন পরিস্থিতি বেগতিক। সেক্ষত্রে অবিলম্বে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করান। কারণ ঘনঘন বুকে ব্যথা হওয়া হার্ট অ্যাটাকের সংকেত। সময়মতো চিকিৎসা করলে সুস্থ হয়ে উঠবেন।
২। বমি করা- অনেক সময় বুকে ব্যথার পর শুরু হয় বমি। এটা বিপজ্জনক উপসর্গ। বমি হলে বুঝবেন হার্টে গুরুতর সমস্যা রয়েছে। সামান্য অবহেলাও বিপদ ডেকে আনতে পারে।
৩। পেটে ব্যথা- পেট ব্যথা বিবিধ কারণে হতে পারে। তবে পেটে ব্যথা হওয়া হার্ট অ্যাটাকেরও সংকেত। তাই হালকাভাবে নেবেন না। পেটে ঘনঘন ব্যথা হলে চিকিৎসকের কাছে যান।
৪। চোয়ালের ব্যথা- প্রায়শই চোয়ালে ব্যথা হয়! এটাও হার্টের অসুখের বড় লক্ষণ। অবিলম্বে ডাক্তার দেখানো দরকার। অন্যথায় জীবনের ঝুঁকি হতে পারে।
৫। হঠাৎ ঘাম হওয়া- হঠাৎ দরদর করে ঘামলে বুঝতে হবে ভয়ঙ্কর বিপদ! এটা গরমের দুপুরে হাঁটার সময় বা জিমে ওয়ার্কআউটের মাঝেও হতে পারে। ভাববেন না অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য এমনটা হচ্ছে। অনেকেই ভেবে ফেলেন, বয়স বাড়ছে তাই হয়তো শরীর সঙ্গ দিচ্ছে না। এমনটা কিন্তু মোটেও নয়। এসি রুম বা পরিশ্রম ছাড়া ঘামলেও সর্বনাশ। এটা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। অবিলম্বে ডাক্তার দেখান।