
How to Get Rid of Dandruff: খুসকির সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। চুলের সবচেয়ে 'কমন' সমস্যাগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। অনেক চেষ্টা করেও খুসকি থেকে মুক্তি মেলে না।
কিন্তু খুসকি দূর করা ততটাও কঠিন বিষয় নয়। আগে আপনাকে বুঝতে হবে খুসকি কেন হয়?
খুসকি বেশিরভাগটাই আমাদের মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পের মৃত কোষ। অর্থাত্ পুরানো চামড়া। সেটিই খসে খসে উঠে আসে। বংশগত কারণে কারও কারও এই সমস্যা কিছুটা বেশি হয়। এই মৃত কোষের সঙ্গে ধুলো, ময়লা, জীবাণুর হানা, ত্বকের নিঃসৃত স্বাভাবিক তেল ইত্যাদি মিশে থাকে। চুলকানো বা চুল আঁচড়ানোর ফলে এই স্তর তাল বেঁধে উঠে আসে। এটিই ড্যানড্রাফ বা খুসকি।
কীভাবে খুসকি থেকে মুক্তি পাবেন?
১. ত্বকের মৃত কোষ, ময়সা সরানোর জন্য কোনও অ্যাসিডিক উপাদানের ব্যবহার করা যেতে পারে। ভিনিগার বা লেবুর রস মাথায় মাখলে উপকার পাবেন। মাথার ত্বকে লেবুর রস মাখিয়ে তা ম্যাসাজ করতে হবে। এতে হালকা হয়ে আসা খুসকি উঠে আসবে। মাথার ত্বক পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে।
২. ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর কোনও অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। তবে সেই শ্যাম্পু যাতে SLS, প্যারাবেন ফ্রি হয়, তা দেখে নেবেন।
৩. অনেক বেশি খুসকি হলে কোনও চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে পারেন। তাঁরা আপনার জন্য আদর্শ, এমন কোনও মেডিকেটেড শ্যাম্পু প্রেসক্রাইব করতে পারবেন।
৪. মাথায় বারবার হাত দেবেন না। নখ দিয়ে চুলকানোর ফলে ত্বকের মৃত কোষের টুকরো উঠে আসে। এর ফলে মাখায় ড্যানড্রাফ আরও বেড়ে যায়। তাছাড়া নখের মাধ্যমে মাথার ত্বকে আরও বেশি ক্ষত বেড়ে যায়।
৫. সপ্তাগে ২-৩ বারের বেশি শ্যাম্পু করবেন না। এই পর্যায়ে তেল না মাখা-ই শ্রেয়। কারণ তেলের কারণে চুলে ড্যানড্রাফ আটকে থাকতে পারে।
৬. ড্যানড্রাফের সমস্যা থাকলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। সেই সঙ্গে পাতে প্রচুর পরিমাণে মরসুমি শাক-সবজি, ফল রাখুন।