
শীতে বাজারে প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি আলু বিক্রি হয়। মিষ্টি আলু খেতে ভালোবাসেন প্রায় সবাই। কেউ কেউ সেদ্ধ করে নুন দিয়ে খান। অনেকে আবার এটি পুড়িয়ে বা সবজি হিসেবেও খান। আসলে, মিষ্টি আলু শুধু সুস্বাদুই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী। এতে ফাইবার থেকে শুরু করে ভিটামিন পর্যন্ত অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
তবে অন্যান্য সব পণ্যের মতোই বাজারে ভেজাল মিষ্টি আলুও বিক্রি হচ্ছে। জানা যাচ্ছে যে, কিছু জায়গায় রং করা মিষ্টি আলু বিক্রি হচ্ছে। এগুলোকে আরও চকচকে ও আকর্ষণীয় দেখানোর জন্য এটা করা হয়, যাতে ক্রেতাদের সহজেই ঠকানো যায়। এই ধরনের মিষ্টি আলু খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে এবং পেটের সমস্যাও হতে পারে। তবে একটি সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে সহজেই আসল বা নকল মিষ্টি আলু শনাক্ত করা যায়।
ভেজাল মিষ্টি আলু খেলে কী ক্ষতি হবে?
কিছু অসাধু ব্যক্তি মিষ্টি আলুকে আরও লালচে ও উজ্জ্বল দেখানোর জন্য এতে এক ধরনের রাসায়নিক রং (রোডামিন বি) ব্যবহার করে। এই রং খাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ অনিরাপদ। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের মিষ্টি আলু খেলে স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
বাড়িতে মিষ্টি আলু পরীক্ষা করার পদ্ধতি
আপনি যদি বাজার থেকে মিষ্টি আলু কিনে থাকেন এবং সেটি আসল নাকি রং করা, তা জানতে চান, তবে আপনি সহজেই বাড়িতে এই পরীক্ষাটি করতে পারেন। এর জন্য আপনার কোনও বিশেষ সরঞ্জামের প্রয়োজন হবে না।
আপনার যা প্রয়োজন:
* একটি তুলোর বল
* কিছু জল বা রান্নার তেল
পরীক্ষা করার জন্য
* একটি মিষ্টি আলু নিন এবং একটি তুলোর বল জলে বা রান্নার তেলে হালকা করে ভিজিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন তুলোর বলটি খুব বেশি ভিজে না যায়। এবার আলতো করে তুলোর বলটি মিষ্টি আলুর খোসার উপর ঘষুন।
* যদি তুলোর রং পরিবর্তন না হয়, তবে মিষ্টি আলুটা খাওয়ার জন্য নিরাপদ এবং এতে কোনো রাসায়নিক রং মেশানো হয়নি। তবে, যদি তুলোটি লাল বা গোলাপি হয়ে যায়, তার মানে মিষ্টি আলুটিতে রং করা হয়েছে এবং এটি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
* এই সহজ পদ্ধতিটি অবলম্বন করে আপনি সহজেই আসল ও নকল মিষ্টি আলু শনাক্ত করতে পারবেন এবং আপনার পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।