Advertisement

বাড়ির ভাতও হবে অনুষ্ঠান বাড়ির মতো ঝুরঝুরে, রইল ৬ টিপস

আমাদের দেশে প্রতিটি ঘরেই ভাত রান্না হয়। বেশিরভাগ মানুষই প্রতিদিন কিছু না কিছু ভাত খান। ভাত রান্না করার পর যদি তা নরম হয়ে যায় বা ভাতের দানাগুলো একসাখে লেগেয়ায়, তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই। কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করে আপনি এই সমস্যা থেকেমুক্তি পেতে পারেন। চলুন, নিখুঁত ভাত রান্নার কিছু টিপস জেনে নেওয়া যাক।

রান্নার আগে চাল সবসময় দুই থেকে তিনবার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।রান্নার আগে চাল সবসময় দুই থেকে তিনবার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Mar 2026,
  • अपडेटेड 2:23 PM IST

আমাদের দেশে প্রতিটি ঘরেই ভাত রান্না হয়। বেশিরভাগ মানুষই প্রতিদিন কিছু না কিছু ভাত খান। ভাত রান্না করার পর যদি তা নরম হয়ে যায় বা ভাতের দানাগুলো একসাখে লেগেয়ায়, তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই। কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করে আপনি এই সমস্যা থেকেমুক্তি পেতে পারেন। চলুন, নিখুঁত ভাত রান্নার কিছু টিপস জেনে নেওয়া যাক।

আপনার জানা উচিত যে, রান্না করার পর আঠালো ভাত দেখতে যেমন বিশ্রী লাগে, তেমনি খেতেও অস্বস্তিকর। অনেক সময় রাতের খাবারের জন্য অতিথি এলে ভাত ঠিকমতো রান্না না হলে, বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করে। সে কারণেই আজ আমরা আপনাদের টিপস দেব কীভাবে ঝুরঝুরে ভাত বানাতে পারবেন। 

রান্না করার আগে চাল অবশ্যই জলে ভালো করে ধুয়ে নেবেন
বা ড়িতে ঝরঝরে ভাত বানাতে চাইলে, রাত্রা করার আগে চাল দুই থেকে তিনবার জলে ভালো করে ধুয়ে নিন। এতে চাল থেকে অতিরিক্ত শ্বেতসার দূর হয়ে যায়। এই স্বেতসরের কারণেই ভাত আঠালো হয়ে যায়। ধোয়ার পর জল পুরো পুরি পরিষ্কার হয়ে গেলে, সেটি রান্না করার জন্য ব্যবহার করুন।

রান্নার আগে চাল কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন
চালের সর্বোত্তম মানের জন্য, রান্নার আগে এটি জলে ভিজিয়ে রাখুন। অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখলে চালের দানা নরমা হয় এবং রান্নার পরেও ঝরঝরে থাকে। এছাড়াও, এই কৌশলটি চালের গঠনকেও উন্নত করে।

ভাতে জলের পরিমাণ সঠিক রাখুন
অনেক সময় ভাতে বেশি জল দিলে তা নরম হয়ে যেতে পারে। ভাত রান্না করার সময় সঠিক পরিমাণে জল ব্যবহার করা নিশ্চিত করুন। সাধারণত, এক কাপ চাল রান্না করার জন্য দুই কাপ জলই আদশ' পরিমাণ। এর চেয়ে বেশি জল দিলে ভাত ভিজে ও আঠালো হয়ে যাবে, যা খেতে ভালো লাগবে না।

ভাত রান্না করার সময় সামান্য তেল বা ঘি দিন
আপনি এক থেকেদুই চা চামচ তেল বা ঘি যোগ করতে পারেন। এতে ভাতের দানাগুলো একে অপরের সাখে লেগেতায় না এবং একটি হালকা সুগন্ধও হড়ায়। পোলাও বা ফ্রাইড রাইস বানানোর সময় এই কৌশলটি ব্যবহার করুন।

Advertisement

ভাত বেশি আঁচে নয়, কম আঁচে রান্না করুন
নিখুঁতভাবে ভাত রান্না করার জন্য, এটি কম তাঁচে করা উচিত। বেশি আঁচে রান্না করলে ভাত ভেঙে যায় এবং একসঙ্গে লেগে যায়। বেশি আচে ভাত পুড়েও হেতে পারে। কম আচে রান্না করা ভাত ভালোভাবে ফুলে ওঠে এবং খেতেও সুস্বাদু হয়।

রান্না করার সঙ্গে সঙ্গেই ভাত নাড়বেন না
চুলায় ভাত রান্না করার সময় হাতা দিয়ে নাড়বেন না। এমনটা করলে ভাতের দানা ভেঙে যায় এবং একটির সঙ্গে আরেকটি লেগে যায়। ভাত রান্না হয়ে গেলে অন্তত ১০ মিনিটের জন্য ঢেকে রাখুন এবং তারপর আলতো করে নাড়ুন। আপনি যদি রাইস কুকারে ভাত রান্না করেন, তা হলে ভাত রান্না হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কুকারের ঢাকনা খোলা উচিত নয়। কুকার থেকে বাষ্প পুরো পুরি বেরিয়ে যাওয়ার পর এর ঢাকনাটি খুলতে হবে।

আপনার জানা উচিত যে, রান্না করার পর আঠালো ভাত দেখতে যেমন বিশ্রী লাগে, তেমনি খেতেও অস্বস্তিকর। অনেক সময় রাতের খাবারের জন্য অতিথি এলে ভাত ঠিকমতো রান্না হয় না, বা রাঁধুনির জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement