
গোটা দেশজুড়ে চলছে শৈত্যপ্রবাহ। কনকনে ঠান্ডার মধ্যেই সবাইকে দৈনন্দিন কাজর্ম সারতে হচ্ছে। যদিও এই সময় হাত-পা একেবারেই চলতে চায় না। কিন্তু তা সত্ত্বেও সব কাজই সারতে হয়। তবে এই সময় সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়ে থাকে বাড়ির মহিলাদের। কারণ তাঁদেরকে সবচেয়ে বেশি জলের কাজ করতে হয়। আর এই শীতের মরশুমে ঠান্ডা জলে বাসন মাজার কাজ সত্যিই খুব কষ্টকর।
এই সময় বাসন মাজার কাজ সবচেয়ে ভয়ের বলেই মনে করা হয়। কারণ বরফ ঠান্ডা জলে বাসন মাজার পর আঙুল অসাড় হয়ে যায়। এমনকী ব্যথাও করতে পারে। অনেক বাড়িতে বাথরুমে গিজার থাকলেও রান্নাঘরে গিজার থাকে না এবং বারবার জল গরম করাও ঝামেলার। তবে এই শীতকালে এমন একটি স্মার্ট উপায় রয়েছে, যা ঠান্ডায় হাত না জমিয়েও মিনিটের মধ্যে বাসন পরিষ্কার করে দেবে।
রাবার গ্লাভস
ঠান্ডার সময় কনকনে জল থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল হাতে রাবারের গ্লাভস পরে নিন। মোটা রাবারের গ্লাভস পরলে আপনার হাত সরাসরি জলের সংস্পর্শে আসে না। যার ফলে আপনার নথ ও ত্বক সুরক্ষিত থাকে।
এঁটো বাসন ভিজিয়ে রাখুন
বাসন ধোওয়ার ১০ মিনিট আগে একটি বড় গামলায় হালকা গরম জলে বাসন মাজার সাবান দিয়ে ফেনা বানিয়ে এতে এঁটো বাসন ভিজিয়ে রাখুন। এতে এঁটো সহজেই পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং আপনাকে ঠান্ডা জলে ঘষে ঘষে বাসন মাজতে হবে না।
নারকেল তেল বা ভেসলিন
বাসন মাজার সময় জলে হাত দেওয়ার আগে হাতে নারকেল তেল কিংবা ভেসলিন মোটা করে লাগিয়ে নিন। এটা আপনার হাতের ত্বকে মোটা পরত তৈরি করে, যেখানে জল দাঁড়াতে পারে না এবং এতে হাত অসাড়ও হয় না।
বাসন ভাগ করে নিন
একসঙ্গে প্রচুর বাসন ধোওয়ার চেষ্টা না করে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে বাসন ধুয়ে নিন। ৪-৫টি বাসন ধুয়ে ১ মিনিটের ব্রেক নিয়ে হাত দুটো রগড়ে নিয়ে গরম করে নিন। এতে ঠান্ডার বেশি প্রভাব হাতের ওপর পরে না।
হাতের যত্ন নিন
বাসন মাজার সময় ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে যায়। তার জন্যই ত্বক শক্ত, রুক্ষ হয়। বাসন মাজা হয়ে গেলে হাতের মধ্যে একটু ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এতে হাতের ত্বক শক্ত হয়ে যাবে না। কোমল থাকবে।