
মাটন খেতে আমরা কম-বেশি সকলেই ভালোবাসি। তবে স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বেশি আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। তবে এই মাটনে যদি একটু সবজি পড়ে আর স্বাস্থ্যকরভাবে বানানো যায়, তাহলে ব্যাপারটা মন্দ হয় না। মাটনের ঝোল, কষা, বিরিয়ানি সবই খাওয়া হয়, তবে যদি একটু গরমা গরম মাটন স্টু পাওয়া যায়, পাউরুটি দিয়ে জমবে ভাল। যেমন মশলার গন্ধ, তেমনই স্বাদ, সুসেদ্ধ মাংস কষানো হালকা-গাঢ় মশলায় ডুবে যখন চোখের সামনে আসে, তখন মনে আর কোনও ভাবনা পাত্তা পায় না।
উপকরণ
১ কেজি পাঁঠার মাংস
১০০ মিলিলিটার সাদা তেল
৮-৯টি লবঙ্গ
৪টি ছোট এলাচ
২ গাট মাপের দারচিনি
২টি তেজপাতা
৪টি শুকনো লঙ্কা
১টি বড় এলাচ
দেড় চা-চামচ গোটা গোলমরিচ
৪টি মাঝারি মাপের পেয়াঁজ সরু করে কাটা
১ চা-চামচ নুন
১ চা-চামচ হলুদ লঙ্কার গুঁড়ো
২ চা-চামচ ধনে থেঁতো করে নেওয়া
২ চা-চামচ আদা-রসুন বাটা
১/২ কাপ দই
১ কাপ জল
১ চা-চামচ গরমমশলা
পদ্ধতি
কড়াইয়ে তেল দিয়ে তাতে সব ক’টি গোটা মশলা (উপকরণ তালিকায় লবঙ্গ থেকে গোলমরিচ পর্যন্ত) ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বেরোলে দিয়ে দিন কুচোনো পেয়াঁজ। পেয়াঁজ নরম হয়ে এলে আগে থেকে ধুয়ে রাখা মাংসের টুকরো দিয়ে ৪-৫ মিনিট ভাল ভাবে ভাজুন।
এ বার মাংসে নুন, লঙ্কার গুঁড়ো, থেঁতো করে নেওয়া ধনের গুঁড়ো, আদা-রসুন বাটা দিয়ে আরও মিনিট চারেক কষান।
রসুনের কাঁচা গন্ধ চলে গেলে আঁচ কমিয়ে আধ কাপ দই দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করে (খেয়াল রাখবেন দই যেন ফেটে না যায়। কড়ায় দিয়েই ভাল ভাবে নাড়াচাড়া করুন) নিন। তার পরে ঢাকা দিয়ে রান্না হতে দিন। মাংস নরম হয়ে এলে উপরে গরম মশলা ছড়িয়ে আঁচ বন্ধ করে চাপা দিয়ে কিছু ক্ষণ রেখে দিন।
ভাত-পোলাও বা রুটি-পরোটা-নান, সব কিছুর সঙ্গেই খেতে ভাল লাগবে।