Advertisement

Pancreatic Cancer Warning Sign: সর্বদা বদহজম-সুগার বাড়ছে-কমছে, অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সার পাকেনি তো? বোঝা যায়

Pancreatic Cancer Warning Sign: বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কোনও ক্যান্সারই অত্যন্ত বিপজ্জনক ও প্রাণঘাতী হতে পারে। তবে অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার (pancreatic cancer) সবচেয়ে প্রাণঘাতী হিসেবে বিবেচিত হয়। শুধুমাত্র এই ক্যান্সার নির্ণয় করা খুব কঠিন। কারণ, এটি ক্যান্সারের সবচেয়ে বেদনাদায়ক রূপগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হিসাবে বিবেচিত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার (pancreatic cancer) সবচেয়ে প্রাণঘাতী হিসেবে বিবেচিত হয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার (pancreatic cancer) সবচেয়ে প্রাণঘাতী হিসেবে বিবেচিত হয়।
Aajtak Bangla
  • নয়া দিল্লি,
  • 03 Nov 2022,
  • अपडेटेड 2:26 PM IST
  • বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কোনও ক্যান্সারই অত্যন্ত বিপজ্জনক ও প্রাণঘাতী হতে পারে।
  • তবে অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার (pancreatic cancer) সবচেয়ে প্রাণঘাতী হিসেবে বিবেচিত হয়।

Pancreatic Cancer Symptoms: মারণ রোগের তালিকার শীর্ষে ধরা হয় ক্যান্সারকে। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কোনও ক্যান্সারই বড় চ্যালেঞ্জ হলেও অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার (pancreatic cancer) সবচেয়ে প্রাণঘাতী হিসেবে বিবেচিত হয়। শুধুমাত্র এই ক্যান্সার নির্ণয় করা খুব কঠিন নয়, এটি ক্যান্সারের সবচেয়ে বেদনাদায়ক রূপগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত হয়। অগ্ন্যাশয় বা তার চারপাশে ক্যান্সার কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি পেলে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার (malignant tumor) তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫০ শতাংশ রোগীর শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা বাড়তে পারে।  

ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো এই মারণ রোগ শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা ও রোগীর জীবন বাঁচানো তুলনামূলক সহজ হতে পারে। এর জন্য অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার নির্দেশ করতে পারে এমন লক্ষণগুলি সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত, আমরা শরীরের ব্যথা উপেক্ষা করি, যদিও কিছু অংশে দীর্ঘ সময় ধরে যে ব্যথা থাকে তা অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। চলুন এই বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক...

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদিও পেটে ব্যথার অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে প্রতিটি ব্যথাকে ক্যান্সারের লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। তবে আপনি যদি দীর্ঘদিন ধরে ব্যথার সমস্যা অনুভব করেন, পাশাপাশি এই ব্যথা প্রায়ই পেট থেকে পিঠ পর্যন্ত বাড়তে থাকে, তাহলে অবশ্যই এ বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এই ধরনের দীর্ঘস্থায়ী পেটে ব্যথা অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের লক্ষণ হিসাবে বিবেচিত হতে পারে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় জানা গিয়েছে যে, অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অস্বাভাবিক হারে ওজন হ্রাস পাওয়া একটি সাধারণ উপসর্গ। এর পাশাপাশি অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়াও একটি অন্যতম উপসর্গ হিসাবে উঠে এসেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায়। এই গবেষণাটি PLOS ONE-এ প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণাটি করতে, ইংল্যান্ডের এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষের একটি বড় ডেটাসেট ব্যবহার করা হয়েছিল। 

Advertisement

কোমরে ব্যথা:
পেটের মতো, কোমর ব্যথার অনেক কারণ থাকতে পারে, যদিও কোমর ব্যথা অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের প্রধান লক্ষণ হিসাবে বিবেচিত হয়। ক্যান্সার যখন আশেপাশের স্নায়ুতে ছড়িয়ে পড়ে তখন পিঠে ব্যথা হয়। এই ইনসুলিন নিঃসরণকারী অঙ্গের স্নায়ুর উপর ক্যান্সারের প্রভাবের ক্ষেত্রে, রোগীর পিঠে ক্রমাগত তীব্র ব্যথা অনুভব করে। আপনিও যদি দীর্ঘদিন ধরে কোমর ব্যথায় ভুগছেন এবং সাধারণ ওষুধে এতে উপকার না পাওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই এ বিষয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

ত্বকের চুলকানি এবং দীর্ঘস্থায়ী লিভারের সমস্যা:
শুষ্কতা এবং চুলকানির সমস্যা যা জন্ডিস থেকে শুরু হয় তা অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের লক্ষণ হিসাবে বিবেচিত হয়। যখন একটি ক্যান্সারের টিউমার পিত্ত নালী ব্লক করতে শুরু করে, তখন এটি হজম এবং লিভারের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এই ধরনের লিভারের সমস্যা স্বাভাবিক চিকিৎসার পরেও সারে না। রোগীরা মলের রঙের পরিবর্তনও অনুভব করতে পারেন। এই ধরনের উপসর্গ উপেক্ষা করবেন না।

বমি বমি ভাব এবং বমি:
যদি আপনি খাওয়ার পরপরই বমি বমি ভাব বা বমি অনুভব করেন তবে এটি টিউমার বৃদ্ধির প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। টিউমারের কারণে, পরিপাকতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার কারণে খাওয়ার পরে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টিউমার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবারের পর পেটে ব্যথার সমস্যাও বাড়ে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি পাঠকের জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লেখা হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, bangla.aajtak.in এই তথ্যগুলি সম্পূর্ণ যাচাই করে দেখেনি। এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত রোগ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Read more!
Advertisement
Advertisement