
চলছে উৎসবের মরসুম। বর্ষশেষ, বর্ষারম্ভ মানেই বেশিরভাগ মানুষ নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে পার্টি করবেন। অনেকেই পার্টি করার জন্য ক্লাব ও পাবে যান। আবার অনেকে বাড়িতেই পার্টির আয়োজন করেন। এরপর, নতুন বছরের প্রথম দিনে ঘুম থেকে ওঠার পর অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে অনেকেই মাথা ঘোরার সমস্যায় ভোগেন।
উদযাপনের রাতটি যত চমৎকার হয়, পরের দিন সকালে হ্যাংওভার ততটাই বিপজ্জনক হয়। আপনিও যদি নতুন বছরের প্রথম সকালে মাথা ভার নিয়ে ঘুম থেকে উঠতে না চান, তাহলে হ্যাংওভার কমানোর কিছু ঘরোয়া উপায় পার্টিপ্রেমীদের অবশ্যই জানা উচিত।
জল পান
হ্যাংওভারের সবচেয়ে বড় কারণ হল ডিহাইড্রেশন। কারণ অ্যালকোহল শরীর থেকে জল শোষণ করে শরীরকে জলশূন্য করে তোলে। হ্যাংওভার এড়াতে, ঘুম থেকে উঠেই অন্তত ২-৩ গ্লাস সাধারণ জল পান করুন। এই জলে এক চিমটি নুন ও চিনি মিশিয়ে খেলে তা দ্রুত শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণ করবে। বিকল্প হিসাবে, আপনি ইলেক্ট্রোলাইট পাউডার জলের সঙ্গে মিশিয়েও সকালে পান করতে পারেন।
লেবুর জল ও মধু
লেবুতে ভিটামিন সি এবং মধুতে ফ্রুক্টোজ থাকে। এই দুটি একসঙ্গে অ্যালকোহল দ্রুত হজম করতে এবং হ্যাংওভার কমাতে সাহায্য করে। হালকা গরম জলে অর্ধেক লেবুর রস চিপে তাতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। এটি আপনার লিভারকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে।
ডাবের জল
হ্যাংওভারের কারণে যদি আপনার মাথা ধরে থাকে, তবে ডাবের জল সেরা বিকল্প হতে পারে, কারণ এতে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থ থাকে যা শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখে।
আদা ও পুদিনা
হ্যাংওভারের কারণে যদি বমি বমি ভাব হয়, তবে এক টুকরো আদা চিবিয়ে খান বা আদার কালো চা পান করুন। পুদিনা পাতাও পেটকে আরাম দেয় এবং অস্বস্তি কমাতে পারে।
কলা
খালি পেটে হ্যাংওভার আরও বেশি কষ্টদায়ক হয়। এটি এড়াতে আপনি কলা খেতে পারেন, কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে এবং অ্যালকোহলের কারণে পটাশিয়ামের ঘাটতি থেকেই হ্যাংওভার হয়।