
ত্বক ঝুলে পড়ার সমস্যা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় ভোগেন। হীনমন্যতা ক্রমশ গ্রাস করতে থাকে। আর সেই কারণেই বয়স হলেও ত্বক টানটান রাখতে নানা টোটকা ব্যবহার করেন তাঁরা। অল্প বয়সে অনেকের ত্বকেই বলিরেখা দেখা দিতে শুরু করে।
এমন অবস্থায়, এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা, মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকা, শরীরকে হাইড্রেট রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত। এই সমস্ত কারণগুলি আপনার বার্ধক্যকে ত্বরান্বিত হতে বাধা দেয় এবং আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য তরুণ দেখাতে সাহায্য করে। এমন কিছু জিনিস সম্পর্কে বলছি যা আপনাকে অকাল বার্ধক্য এড়াতে সাহায্য করবে।
খাদ্যতালিকায় ফলের পরিমাণ বাড়ান
কমলালেবু, মরসুমি ফল, কিউই, আপেল, ট্যানজারিনের মতো ফল ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এগুলি ত্বককে উজ্জ্বল করতে, কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে, ক্ষতিকারক সূর্যের রশ্মির কারণে ত্বকের ক্ষতি নিরাময়ে এবং ফ্রি র্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ফ্রি র্যাডিক্যাল ত্বকের বার্ধক্য বৃদ্ধি করে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই, প্রত্যেকেরই তাদের খাদ্যতালিকায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার ব্যবহার করা উচিত।
নিয়মিত শাকসবজি খাওয়া
মেথি, পালং শাক, ব্রকলি, কলার মতো সবুজ শাকসবজি বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস যা শরীরের বিভিন্ন কার্য সম্পাদনে সহায়ক। এগুলি ত্বকের উন্নতি করে এবং অকাল বার্ধক্যের লক্ষণ থেকে রক্ষা করে।
বাদাম এবং বীজ খান
ড্রাই ফ্রুটস, বাদাম এবং বীজ স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ভিটামিন ই এর একটি ভালো উৎস যা ত্বককে সুস্থ রাখে এবং পুষ্টি জোগায়। এগুলিতে প্রচুর ভিটামিনও থাকে, তাই মহিলাদের বিশেষ করে ৩০ বছর বয়সের পরে এগুলি খাওয়া উচিত।
তবেই ৪০ পেরলেও এসব মেনে চলতে পারলে বার্ধক্যের ছাপ শরীরে পড়ে না। ফলে বয়স বাড়লেও তা চেহারা দেখে বোঝা যায় না। তাই আজ থেকেই মেনে চলুন এই টিপসগুলো।