
রোমাঞ্চকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়েছে ভারত। এই জয়ের নায়ক বিরাট কোহলি। ২০ ওভার ফিল্ড করার পরেও ক্লান্তি ছুঁতে পর্যন্ত পারেনি বিরাটকে। শেষ ওভারেও দৌড়ে ৩ রান নিয়েছেন। মেলবোর্নের মতো বড় ব্যাটে ডবলস ও সিঙ্গলসে ইনিংসের ভিত গড়েছেন। তাঁর ফিটনেস দেখে থ ক্রিকেটবিশ্ব। কী খান কিং কোহলি? জানলে অবাক হবেন এই ফিটনেস ধরে রাখতে কঠোর ডায়েট প্ল্যান করেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। আপনিও তাঁর মতো ফিট থাকতে চাইলে কোহলির ডায়েট প্ল্যান মেনে চলতে পারেন। বিরাট কোহলি নিজেই বলেছেন, তাঁর ডায়েটে রয়েছে ৭টি জিনিস। না খেয়ে শরীরচর্চা করেন না। অর্থাৎ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে অভুক্ত থাকেন না কোহলি।
বিরাট একবার নিজের ডায়েট প্ল্যান শেয়ার করেছিলেন। বিরাট জানিয়েছিলেন,৭টি জিনিস এই বয়সেও তাঁকে ফিট এবং তরতাজা রাখে। তাঁর ডায়েটে সবসময় থাকে দু'কাপ কফি, মসুর ডাল, কুইনো, পালং শাক, শাকসবজি, ডিম এবং ধোসা। এর বাইরে বিরাট জানিয়েছিলেন, বাদাম, প্রোটিন বার এবং কখনও কখনও চাইনিজ খাবারও খেয়ে থাকেন।
এত খেয়েও কীভাবে ফিট?
বিরাট কোহলি ফিটনেস এবং ডায়েটের বিশেষ যত্ন নেন। তাঁর খাদ্যতালিকায় তিনটি বিষয়ের প্রতি বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়। কোহলি কখনও চিনি এবং গ্লুটেন জাতীয় খাবার ছুঁয়ে দেখেন না। জেনে অবাক হতে পারেন যে বিরাট দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য থেকেও নিজেকে দূরে রাখেন। এ ছাড়া বিরাট সব সময় খেয়াল রাখেন যেন পেটভর্তি করে না খান। অর্থাৎ খিদের ৯০ শতাংশ খাবার খান কিং কোহলি।
ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত নিজের শরীরচর্চার ভিডিও দেন বিরাট কোহলি। তাঁকে জিমে গা ঘামতে দেখা যায়। তিনি প্রতিদিন জিমে যান।ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যায়াম করেন। যে কারণে তাঁর স্বাস্থ্য এত ভাল থাকে। এ ছাড়া যখনই সময় পান, বাড়িতে খেলাধুলো করতে পছন্দ করেন। লকডাউন সময়ের দেখা গিয়েছিল, স্ত্রী আনুষ্কা শর্মার সঙ্গে ক্রিকেট খেলছিলেন। তাঁর সিক্স প্যাক অ্যাবস দেখলেই বুঝতে পারবেন তিনি কতটা কঠোর ডায়েট প্ল্যান ফলো করেন। ফলে খাবারের সঙ্গে নিয়মিত জিমও করতে হবে। বুঝতেই পারছেন বিরাট কোহলি হওয়া এত সোজা নয়!