
Walking for Heart: হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালীর রোগের গ্রুপকে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (Cardiovascular Disease) বলা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই গ্রুপের রোগের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক সবচেয়ে বিপজ্জনক। কিন্তু হৃদপিণ্ডকে কি বুলেটপ্রুফের মতো শক্ত করে এসব রোগ থেকে রক্ষা করা যায়?
দুর্বল হৃদয়ের লক্ষণ কী?
দুর্বল হার্ট থাকার মানে হল আপনি করোনারি আর্টারি ডিজিজ, অ্যারিথমিয়া, হার্টের পেশীর সমস্যা, হার্টের ভাল্বের সমস্যা ইত্যাদি রোগে ভুগছেন। বুকে ব্যথা, বুকে শক্ত হওয়া, শ্বাসকষ্ট, ঘাড়-চোয়ালে ব্যথা, হাত-পা অসাড় হয়ে যাওয়া বা অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দনের মতো উপসর্গ এসব রোগের লক্ষণ হতে পারে।
হাঁটলে হার্ট শক্তিশালী
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা পরামর্শ দেয় যে প্রতিদিন পর্যাপ্ত হাঁটলে হৃদয়কে বিরক্ত করে এমন অনেক রোগ প্রতিরোধ করা যাবে। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা ৬০ বছরের ওপরের বয়স্ক ব্যক্তিরাও পান। হাঁটাহাঁটি বৃদ্ধ বয়সে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক প্রতিরোধ করতে পারে।
৬০০০ পা হাঁটার উপকারিতা
মেডিকেল নিউজ টুডে জানিয়েছে, হার্ট সুস্থ রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৬০০০ কদম হাঁটা প্রয়োজন । ৬ হাজার বা তার বেশি কদম হাঁটাও বয়স্কদের হৃদরোগ থেকে দূরে রাখতে পারে। গবেষণায় দিনে ১০,০০০ ধাপ পর্যন্ত হাঁটাকে আরও উপকারী বলে মনে করে।
আপনি আরও ১০ ০০ পদক্ষেপের যে সুবিধা পাবেন
মেডিকেল নিউজ টুডে অনুসারে, আপনি যতবার ৬,০০০ পদক্ষেপের পরে ১,০০০ ধাপ হাঁটবেন, তত বেশি সুবিধা পাবেন। যারা দিনে মাত্র ২-৩ হাজার কদম হাঁটেন, তারা ৬ হাজার বা তার বেশি কদম হাঁটলেই বড় ফল পেতে পারেন।
হাঁটার সময় এই জিনিসটি সঙ্গে রাখুন
এখন প্রশ্ন জাগে কিভাবে হাঁটা ট্র্যাক করবেন? তাই এ জন্য আপনি যখনই হাঁটবেন তখন সঙ্গে একটি স্টেপ ক্যালকুলেটর রাখুন । যাইহোক, এটি করা কিছুটা কঠিন, তাই আপনি স্মার্ট ঘড়ি বা মোবাইলে স্টেপ ক্যালকুলেটর সক্রিয় করতে পারেন। এই দুটি জিনিসই সব সময় সঙ্গে রাখাই বেশি সুবিধাজনক।
হাঁটার সুবিধা
হাঁটার এই সমস্ত উপকারিতা দেখায় যে প্রতিদিন হাঁটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই কাছাকাছি কোথাও যেতে সবসময় পায়ে হেঁটে যান।
Disclaimer: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি কোনোভাবেই কোনো ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। আরও বিস্তারিত জানার জন্য সর্বদা আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।