Advertisement

Gen Z-রা কেন চাকরি ছেড়ে দিচ্ছে? জানুন কীভাবে কাজের ধরণ পাল্টে যাচ্ছে

ভারতে জেনারেশন জেড (Gen Z) ধীরে ধীরে সাফল্যের পুরনো সংজ্ঞা বদলে দিচ্ছে। একসময় যেখানে দ্রুত পদোন্নতি, বেশি বেতন ও কর্পোরেট সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠাকেই সাফল্য বলা হত, সেখানে আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে মানসিক শান্তি, ব্যক্তিগত সময় এবং জীবনের ভারসাম্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 07 Feb 2026,
  • अपडेटेड 6:10 PM IST
  • ভারতে জেনারেশন জেড (Gen Z) ধীরে ধীরে সাফল্যের পুরনো সংজ্ঞা বদলে দিচ্ছে।
  • একসময় যেখানে দ্রুত পদোন্নতি, বেশি বেতন ও কর্পোরেট সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠাকেই সাফল্য বলা হত, সেখানে আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে মানসিক শান্তি, ব্যক্তিগত সময় এবং জীবনের ভারসাম্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ভারতে জেনারেশন জেড (Gen Z) ধীরে ধীরে সাফল্যের পুরনো সংজ্ঞা বদলে দিচ্ছে। একসময় যেখানে দ্রুত পদোন্নতি, বেশি বেতন ও কর্পোরেট সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠাকেই সাফল্য বলা হত, সেখানে আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে মানসিক শান্তি, ব্যক্তিগত সময় এবং জীবনের ভারসাম্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষা বলছে, প্রায় অর্ধেক জেনারেশন জেড কর্মী নিজেদের আর উচ্চাকাঙ্ক্ষী বলে মনে করেন না। তাঁদের মতে, পদ বা বেতন বাড়ার চেয়ে মানসিক স্বস্তি ও স্থিতিশীল জীবনই এখন বড় সাফল্য।

কর্পোরেট দৌড় থেকে সরে আসার প্রবণতা
অন্য একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে, ৪৭ শতাংশ তরুণ কর্মী আর কর্পোরেট সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। পদমর্যাদার বদলে তাঁরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন জীবনের ভারসাম্য, স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুখকে। এর ফলে স্পষ্ট হচ্ছে, আজকের তরুণদের কাছে সাফল্য মানে শুধু টাকা বা ক্ষমতা নয়, বরং মানসিক স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার গুণমান।

বেঙ্গালুরুর ২৪ বছরের ডেটা অ্যানালিস্ট আরভ বলছেন, 'আমি আর ম্যানেজার হওয়ার স্বপ্ন দেখি না। আমি দেখেছি, আমার থেকে উঁচু পদে থাকা মানুষরা ৩০-এর কোঠায় পৌঁছে ক্লান্ত ও হতাশ হয়ে পড়ছেন। যদি সাফল্যের মানে হয় সারাক্ষণ চাপে থাকা, তাহলে আমি তা চাই না।'

সাফল্যের সংজ্ঞায় আমূল পরিবর্তন
একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ৫২ শতাংশ তরুণ ক্যারিয়ার গ্রোথের চেয়ে মানসিক শান্তিকে বেশি গুরুত্ব দেন। ৪১ শতাংশ কম বেতনের চাকরিও নিতে রাজি, যদি সেখানে স্থির সময়সূচি ও মানসিক নিরাপত্তা থাকে। দিল্লির ২৬ বছরের কর্মজীবী মেহকের কথায়, 'আমি আমার কাজ ভালোভাবে করি, কিন্তু কাজই আমার পুরো জীবন হওয়া উচিত নয়। আরামে বাঁচাটাও সাফল্যের অংশ।'

কেন চাকরি ছাড়ছেন তরুণরা?
কোভিড-পরবর্তী অনিশ্চয়তা। মহামারির সময় বহু তরুণ দেখেছেন তাঁদের বাবা-মা বা অভিজ্ঞ কর্মীরা চাকরি হারিয়েছেন, বেতন কমেছে বা অতিরিক্ত চাপের মধ্যে পড়েছেন। এতে তাঁদের ধারণা হয়েছে, কঠোর পরিশ্রমও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না।

Advertisement

স্থায়িত্বের খোঁজ
ছাঁটাই ও মূল্যবৃদ্ধির ভয়ে তরুণরা এখন নিরাপদ ও স্থিতিশীল আয়ের দিকে ঝুঁকছেন। অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং বা চুক্তিভিত্তিক কাজকে তুলনামূলক নিরাপদ বিকল্প হিসেবে দেখছেন।

মানসিক স্বাস্থ্যের অগ্রাধিকার
আগের প্রজন্মের তুলনায় জেনারেশন জেড অনেক বেশি খোলাখুলি মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বার্নআউটের কথা বলছে। মুম্বইয়ের ২৩ বছরের জুনিয়র কনসালট্যান্ট রিয়া বলেন, 'আগের প্রজন্মের মতো নিজেকে নিঃশেষ করে কাজ করাকে আমি সাফল্য মনে করি না। বরং সেটা ভীতিকর।'

কর্মক্ষেত্রে জেনারেশন জেড-এর নতুন মনোভাব
বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে তরুণদের আচরণেও পরিবর্তন স্পষ্ট, অতিরিক্ত কাজের শর্তে পদোন্নতি নিতে অনীহা
বেশি বেতন বা নমনীয়তা ছাড়া নেতৃত্বের ভূমিকা গ্রহণে অনাগ্রহ
‘যতটুকু দরকার, ততটুকুই কাজ’, এই মানসিকতা
ছুটি, ব্যক্তিগত সময় ও সীমারেখাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব

 

Read more!
Advertisement
Advertisement