Advertisement

Beautiful Dooars Paren: প্রতি ঋতুতে রূপ বদলায়, ভুটানের গা ঘেঁষা ডুয়ার্সের এই গ্রাম সৌন্দর্যের স্বর্গরাজ্য

Beautiful Dooars Paren: পাহাড়ঘেরা প্যারেন আসলে তিনটি ছোট অংশ নিয়ে গঠিত লোয়ার প্যারেন, আপার প্যারেন এবং প্যারেন কম্পাউন্ড। প্রতিটি এলাকার আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কোথাও বিস্তৃত ধানক্ষেত, কোথাও ঘন বন, আবার কোথাও পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নেমে আসা ছোট নদী। সব মিলিয়ে গোটা গ্রামটাই যেন একটি জীবন্ত পোস্টকার্ড।

প্রতি ঋতুতে রূপ বদলায়, ভুটানের গা ঘেঁষা ডুয়ার্সের এই গ্রাম সৌন্দর্যের স্বর্গরাজ্যপ্রতি ঋতুতে রূপ বদলায়, ভুটানের গা ঘেঁষা ডুয়ার্সের এই গ্রাম সৌন্দর্যের স্বর্গরাজ্য
Aajtak Bangla
  • কালিম্পং,
  • 07 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:07 AM IST

Beautiful Dooars Paren: ডুয়ার্স বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঘন অরণ্য, পাহাড়ি বাঁক, নদীর অবিরাম কলকল আর নিরিবিলি গ্রামজীবনের ছবি। এই ডুয়ার্সের গভীরেই রয়েছে এমন এক গ্রাম, যা এখনও পর্যটকদের ভিড়ে ভরে ওঠেনি। প্যারেন (Paren)। ইন্দো-ভুটান সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত এই গ্রাম শহরের কোলাহল থেকে বহু দূরে, প্রকৃতির কোলে গড়ে ওঠা এক শান্ত আশ্রয়।

পাহাড়ঘেরা প্যারেন আসলে তিনটি ছোট অংশ নিয়ে গঠিত লোয়ার প্যারেন, আপার প্যারেন এবং প্যারেন কম্পাউন্ড। প্রতিটি এলাকার আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কোথাও বিস্তৃত ধানক্ষেত, কোথাও ঘন বন, আবার কোথাও পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নেমে আসা ছোট নদী। সব মিলিয়ে গোটা গ্রামটাই যেন একটি জীবন্ত পোস্টকার্ড।

কী দেখবেন সেখানে?
প্যারেন গ্রামের চারদিকে ছড়িয়ে থাকা সবুজ পাহাড় ও বনভূমি চোখ জুড়িয়ে দেয়। পাহাড়ি নদী, ছোট ছোট ঝর্ণা আর বিস্তৃত কৃষিজমির দৃশ্য মনকে শান্ত করে। এখান থেকে আশপাশের পাহাড়ি ভ্যালির প্যানোরামিক ভিউ সত্যিই অনবদ্য। কাছেই রয়েছে বিন্দু এলাকা ও জলঢাকা নদীর বাঁধ, চাইলে সেখানেও ঘুরে আসা যায়।

আরও পড়ুন

কী করবেন প্যারেনে?
প্যারেন ভ্রমণের আসল আনন্দ লুকিয়ে আছে হেঁটে ঘোরার মধ্যেই। গ্রামের তিনটি অংশ পায়ে হেঁটে এক্সপ্লোর করলে প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকে অনুভব করা যায়। পাহাড়ি পথে হাঁটতে হাঁটতে গ্রাম্য জীবন, স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন ছন্দ এবং প্রকৃতির নির্জনতা একসঙ্গে ধরা দেয়।

যাঁরা খুব বেশি দৌড়ঝাঁপের ভ্রমণ পছন্দ করেন না, তাঁদের জন্য প্যারেন আদর্শ। দু-এক দিন নিস্তব্ধ পরিবেশে কাটিয়ে শুধু প্রকৃতির সান্নিধ্যে রিল্যাক্স করতে চাইলে এই গ্রাম নিঃসন্দেহে সেরা পছন্দ। চাইলে কাছের টোডে ও তাংটা গ্রামেও ঘুরে আসতে পারেন, যেখানে সূর্যাস্তের দৃশ্য মন ছুঁয়ে যায়।

কীভাবে যাবেন প্যারেন?
কলকাতা থেকে প্যারেনের দূরত্ব প্রায় ৬৫৫ কিলোমিটার। ট্রেনে গেলে নিকটতম রেলস্টেশন মালবাজার। কলকাতা থেকে মালবাজার পর্যন্ত একাধিক ট্রেন রয়েছে। স্টেশন থেকে প্রথমে চালসা পৌঁছাতে হবে, সেখান থেকে শেয়ার বা রিজার্ভ জিপে পাহাড়ি রাস্তা ধরে প্যারেন যাওয়া যায়। পথ একটু আঁকাবাঁকা হলেও চারপাশের দৃশ্য যাত্রাকে উপভোগ্য করে তোলে।

Advertisement

কোথায় থাকবেন?
প্যারেনে বড় হোটেল নেই। তবে রয়েছে কয়েকটি সুন্দর হোমস্টে ও ছোট লজ, যেখানে স্থানীয় আতিথেয়তায় থাকার সুযোগ মেলে। পাহাড়ি গ্রামে থাকার আসল স্বাদ পেতে হলে হোমস্টেই সেরা বিকল্প। ছুটির মরশুমে গেলে আগে থেকে বুকিং করে নেওয়াই ভালো।

কবে যাবেন?
প্যারেন সারা বছরই ঘোরার উপযোগী। বর্ষায় চারদিক সবুজে ঢেকে যায়, শীতে পরিষ্কার আকাশ আর পাহাড়ি হাওয়া ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য করে তোলে। ভিড়হীন, শান্ত পরিবেশে প্রকৃতির সঙ্গে কিছু একান্ত সময় কাটাতে চাইলে ডুয়ার্সের এই লুকোনো গ্রাম নিঃসন্দেহে মন জয় করবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement