
শুক্রবার রাতেই ভেনেজুয়েলা আক্রমণ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু আক্রমণ নয়, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক গ্রেপ্তারও করেছে আমেরিকা। বর্তমানে তাঁদের নিউইয়র্কে এনে রাখা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিরোনামে উঠে এসেছে নস্ত্রাদামুস ও বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী।
২০২৬ সালের নববর্ষ শুরু হওয়ার আগেই নস্ত্রাদামুস এবং বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে শুরু করেছিল। উভয় ভবিষ্যদ্বাণীই ২০২৬ সালে একটি বড় যুদ্ধের পূর্বাভাস দিয়েছিল। ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপকে কি এর সূচনা হিসেবে দেখা উচিত? কী বলছে নস্ত্রাদামুস ও বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী?
নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী কী বলছে?
নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী অনুসারে, ২০২৬ সাল বিশ্বকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে। যা ভবিষ্যতের জন্য বিপর্যয়কর প্রমাণিত হবে। ধর্ম এবং জাতীয়তাবাদের নামে ব্যাপক সহিংসতা দেখা দেবে। মানুষ একে অপরের শত্রু হয়ে উঠবে এবং এই সংঘাত বিশ্বকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণীতে সামুদ্রিক দুর্ঘটনা এবং যুদ্ধের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ভবিষ্যদ্বাণীগুলির ব্যাখ্যাকারী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৬ সালে সমুদ্রে একটি বিশাল জাহাজ ডুবে যেতে পারে। কোনও ভাবে তা সামুদ্রিক পথেও যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সমুদ্র এবং বন্দরগুলিতে উত্তেজনার ফলে শস্য এবং খাদ্য সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। যার ফলে খাবারের দাম ব্যাপক বেড়ে যেতে পারে। অর্থনৈতিক চাপের ফলে অনেক রাজনৈতিক দল ও প্রভাবশালী নেতাদের পতন হতে পারে।
বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী
একই রকম ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন বাবা ভাঙ্গাও। তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী অনুসারে, পূর্বের দেশগুলিতে একটি বড় যুদ্ধ লাগতে পারে, যার প্রভাব সমগ্র বিশ্বে পড়বে। এই যুদ্ধের আগুন পশ্চিমা দেশগুলিতেও পৌঁছবে। যুদ্ধে প্রচুর প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হতে পারে।
২০২৬ সালে চিন, রাশিয়া এবং আমেরিকার মতো কিছু শক্তিশালী দেশের মধ্যে একটি সংঘাত দেখা দিতে পারে। তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য চিনা পদক্ষেপ, রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের কথাও ভবিষ্যদ্বাণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।