
বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে যখনই কোনও গ্রহ বিপরীতমুখী বা সরাসরি গমন করে, তখন তার গতি প্রত্যেক ব্যক্তির জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। পঞ্জিকা অনুসারে, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে বুধ কুম্ভ রাশিতে বিপরীতমুখী হতে শুরু করবে এবং ২১ মার্চ পর্যন্ত এই অবস্থায় থাকবে। জ্যোতিষশাস্ত্রে বুধকে বুদ্ধিমত্তা, যোগাযোগ, ব্যবসা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অতএব যখন বুধ বিপরীতমুখী হয় তখন অনেক মানুষের কাজ, পড়াশোনা এবং সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হতে পারে। বিশেষ করে কিছু রাশিচক্রের এই সময়ে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
কোন রাশিচক্রের জাতকদের সতর্ক থাকা উচিত?
কর্কট রাশি: কর্কট রাশির জাতকদের এই সময়ে কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। কেরিয়ারে উত্থান-পতন সম্ভব। এমনকী, ছোটখাট ভুলও সমস্যার কারণ হতে পারে। শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হতে পারে। কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নেওয়া ভাল। স্বাস্থ্যেপ প্রতি অবহেলা করা উচিত নয় এই রাশির জাতকদের।
কন্যা রাশি: বুধের বিপরীতমুখী গতি অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে পারে। চাকরির স্থানান্তর বা দায়িত্ব পরিবর্তন সম্ভব। কর্মক্ষেত্রে বাধা আসতে পারে। তবে ধৈর্য ধরলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নত হবে। যারা বিদেশে পড়াশোনা করার পরিকল্পনা করছেন তাদের কিছু কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে। স্বাস্থ্যের দিকেও মনোযোগ দেওয়া বাঞ্ছনীয়।
মকর রাশি: এই সময়ে মকর রাশির জাতকরা কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হতে পারে। তাই কথা বলার সময় সাবধানে থাকুন। কর্মক্ষেত্রে তর্ক এড়িয়ে চলুন কারণ এতে ক্ষতি হতে পারে। পড়াশোনা এবং সঙ্গ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। গলা বা কানের সমস্যা হতে পারে তাই অসাবধান হবেন না।
মীন রাশি: এই সময়ে তাড়াহুড়ো করে বিনিয়োগ করা এড়িয়ে চলুন। কারণ এতে ক্ষতি হতে পারে। গাড়ি চালানোর সময় সাবধান থাকুন। পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে। কিছু লোকের পদোন্নতি বা কাজে বিলম্ব হতে পারে। যা কিছুটা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
বুধের বিপরীতমুখী সময়ে কী করবেন?
> গণেশের উপাসনা করলে নেতিবাচক প্রভাব কমে
> গরুকে সবুজ পশুখাদ্য খাওয়ানো শুভ মনে করা হয়
> নিয়মিত বুধ গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত মন্ত্র জপ করলে উপহার পাওয়া যায়