
Hanuman Favourite Zodiac Signs: শান্ত স্বভাব। মুখে বেশি কথা নেই। কিন্তু বিপদে পাহাড়ের মতো পাশে দাঁড়ান। হনুমানজিকে ঘিরে এমন বিশ্বাস বহু যুগের। শক্তি, সাহস, নিষ্ঠা আর ভক্তির প্রতীক তিনি। রামভক্ত হনুমানের আশীর্বাদ পেলে ভয়, বাধা, শত্রু; সব কিছু নাকি দূরে থাকে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, বৈদিক জ্যোতিষ মতে কি এমন কিছু রাশি রয়েছে, যাদের উপর হনুমানের কৃপা তুলনামূলক ভাবে বেশি? জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, হ্যাঁ। কিছু রাশির জাতকদের সঙ্গে হনুমানের গুণাবলির মিল রয়েছে বলেই তাঁদের উপর বিশেষ আশীর্বাদ থাকে বলে বিশ্বাস।
জ্যোতিষ মতে, হনুমান গ্রহদোষ কাটাতে সাহায্য করেন। বিশেষ করে মঙ্গল ও শনি গ্রহের প্রভাব কমাতে হনুমান আরাধনার কথা বলা হয়। সেই সূত্র ধরেই কয়েকটি রাশি সামনে আসে।
মেষ রাশি
মেষ রাশির অধিপতি মঙ্গল। সাহস, উদ্যম আর ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা এই রাশির বৈশিষ্ট্য। হনুমান যেমন ভয় না জেনে লঙ্কা দগ্ধ করেছিলেন, মেষ রাশির জাতকরাও তেমনই সাহসী। তবে রাগ তাঁদের বড় শত্রু। হনুমান আরাধনা করলে মেষ রাশির জাতকদের রাগ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং কর্মক্ষেত্রে বাধা কাটে বলে বিশ্বাস।
সিংহ রাশি
নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস আর সম্মানবোধ; সিংহ রাশির এই বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে হনুমানের ব্যক্তিত্বের মিল খুঁজে পান জ্যোতিষীরা। হনুমান কখনও নিজের শক্তি জাহির করেননি, কিন্তু প্রয়োজন পড়লে পাহাড় তুলতেও দ্বিধা করেননি। সিংহ রাশির জাতকদের ক্ষেত্রেও তাই। হনুমানের কৃপায় এই রাশির জাতকরা সম্মান ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন বলে বিশ্বাস।
ধনু রাশি
ধনু রাশির জাতকরা আদর্শবাদী, ধর্মপ্রাণ এবং সত্যের পথে চলতে পছন্দ করেন। রামভক্ত হনুমানের সঙ্গে এই রাশির মানসিকতার গভীর মিল রয়েছে। হনুমান যেমন প্রভুর আদেশকে জীবনের সর্বোচ্চ কর্তব্য মনে করতেন, ধনু রাশির জাতকরাও তেমনই নীতিবান। হনুমান পূজায় এই রাশির জাতকদের ভাগ্যোদয় হয় বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।
কুম্ভ রাশি
শনি গ্রহের অধীন কুম্ভ রাশির জাতকরা জীবনে বহু পরীক্ষার মুখোমুখি হন। শনি ও মঙ্গল; দুই গ্রহের প্রভাব কাটাতে হনুমান আরাধনার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কুম্ভ রাশির জাতকরা হনুমানের কৃপায় ধৈর্য ও মানসিক শক্তি পান বলে বিশ্বাস।
জ্যোতিষদের মতে, মঙ্গলবার ও শনিবার হনুমান পূজা করলে এই রাশিগুলির জাতকদের জীবনে বাধা কাটে। হনুমান চালিসা পাঠ, সিঁদুর অর্পণ কিংবা নিঃস্বার্থ সেবা; এই সবই তাঁর কৃপা পাওয়ার পথ। তবে মনে রাখতে হবে, রাশি নয়; ভক্তিই এখানে আসল চাবিকাঠি।
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদন জ্যোতিষ ও লোকবিশ্বাসভিত্তিক। এটি কোনও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ বা সম্পাদকীয় মতামত নয়।