
Numerology Birth Date Intelligence: মানুষের জন্মতারিখ শুধু ক্যালেন্ডারের একটি সংখ্যা নয়। সংখ্যাতত্ত্বে এমনটাই মনে করা হয়। নিউমেরোলজি অনুযায়ী, এই সংখ্যার মধ্যেই কোনও মানুষের ব্যক্তিত্ব, চিন্তাভাবনা এবং বুদ্ধিমত্তার ইঙ্গিত লুকিয়ে থাকে। সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমারোলজি অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট জন্মতারিখে জন্মানো মানুষদের বুদ্ধি নাকি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। তাঁদের বিশ্লেষণ ক্ষমতা তীক্ষ্ণ, পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও অন্যদের থেকে আলাদা। সংখ্যাতত্ত্বের ব্যাখ্যায়, এই মানুষদের 'সবচেয়ে চালাক' বললেও নাকি অত্যুক্তি হয় না। সংখ্যাতত্ত্ব বলছে, জন্মতারিখের সংখ্যার সঙ্গে মানুষের মস্তিষ্কের কাজের একটি যোগসূত্র রয়েছে। সেই যোগসূত্র থেকেই কারও মধ্যে দ্রুত শেখার ক্ষমতা, কারও মধ্যে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, আবার কারও মধ্যে কৌশলী চিন্তাভাবনার প্রবণতা দেখা যায়। সংখ্যাতত্ত্ববিদদের মতে, যাঁরা এই বিশেষ জন্মতারিখে জন্মেছেন, তাঁরা ছোটবেলা থেকেই জটিল বিষয় সহজ করে বোঝার ক্ষমতা দেখান। পড়াশোনা হোক বা বাস্তব জীবন; সব ক্ষেত্রেই তাঁরা যুক্তি দিয়ে ভাবতে পছন্দ করেন।
এই ধরনের মানুষদের আর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল পর্যবেক্ষণ শক্তি। সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, তাঁরা চারপাশের ঘটনা খুব মন দিয়ে লক্ষ্য করেন। ফলে অনেক সময় অন্যরা যেখানে সমস্যার দিকটি বুঝতেই পারেন না, সেখানে এই জন্মতারিখের মানুষরা আগেভাগেই পরিস্থিতির আভাস পেয়ে যান। সেই কারণেই কর্মক্ষেত্রে বা ব্যক্তিগত জীবনে তাঁরা অনেক সময় এক ধাপ এগিয়ে থাকেন।
জন্মতারিখ ৫ তারিখ
সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী ৫ নম্বরের প্রভাব যাঁদের উপর থাকে, তাঁদের বুদ্ধি খুব দ্রুত কাজ করে। ধরুন, কারও জন্ম ৫ তারিখে। কোনও নতুন পরিস্থিতিতে পড়লেই সে আগে চারপাশটা পর্যবেক্ষণ করে। কে কী বলছে, কার বক্তব্যে ফাঁক কোথায়; সবই চোখ এড়ায় না। অফিসে কোনও সমস্যার সমাধান দরকার হলে, বাকিরা যখন আলোচনায় ব্যস্ত, এঁরা তখন মাথার ভিতরেই সমাধানের রাস্তা বানিয়ে ফেলে। সংখ্যাতত্ত্ব মতে, এই দ্রুত চিন্তাশক্তিই ৫ তারিখে জন্মানোদের ‘চালাক’ করে তোলে।
জন্মতারিখ ১৪ তারিখ
১৪ তারিখ মানে ১ ও ৪-এর যোগফল, ৫। নিউমারোলজি বলছে, এই জন্মতারিখের মানুষরা দ্বিমুখী চিন্তায় পারদর্শী। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সে সব দিক ভেবে নেয়; লাভ-লোকসান, ভবিষ্যতের প্রভাব, মানুষের প্রতিক্রিয়া। বন্ধুরা অনেক সময় অবাক হয়ে যায়, এত অল্প সময়ে এত হিসেব সে কীভাবে কষে ফেলে। সংখ্যাতত্ত্ব মতে, এই মানসিক চটপট ভাবনাই ১৪ তারিখে জন্মানোদের বুদ্ধির জোর।
জন্মতারিখ ২৩ তারিখ
সংখ্যাতত্ত্বে ২৩-ও এসে পড়ে ৫-এর ঘরে। পড়াশোনায় এরা মুখস্থ বিদ্যায় বিশ্বাসী নয়। বরং কোনও জটিল বিষয়কে নিজের মতো করে ভেঙে নিতে পারে। শিক্ষক যা বোঝান, তার বাইরেও এরা আলাদা প্রশ্ন তোলে। নিউমারোলজি বলছে, এই জন্মতারিখের মানুষদের চিন্তাভাবনা থাকে বিশ্লেষণধর্মী। তাই অনেক সময় তাঁদের বুদ্ধিকে 'স্ট্র্যাটেজিক' বলা হয়।
জন্মতারিখ ৩০ তারিখ
৩০ মানে ৩ ও ০ যোগফলে আসে ৩। কিন্তু সংখ্যাতত্ত্ব মতে ০ থাকায় বুদ্ধির প্রভাব বাড়ে। এরা কথা বলার সময় সে খুব মেপে কথা বলে। কখন কী বলা উচিত, কখন চুপ থাকা ভালো; এই বোধটা এদের সহজাত। কোনও তর্কে সে কখনও সরাসরি আক্রমণ করে না। বরং যুক্তি দিয়ে পরিস্থিতি নিজের দিকে ঘুরিয়ে নেয়। সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, এই কৌশলী বুদ্ধিই ৩০ তারিখে জন্মানোদের আলাদা করে তোলে।
দ্রষ্টব্য: রাশি সংক্রান্ত প্রতিবেদন জ্যোতিষ ও লোকমতভিত্তিক। এগুলি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ বা সুপারিশ নয়।