Advertisement

Agra Dog Funeral News: পোষ্য কুকুরের মৃত্যুতে মাথা মুড়িয়ে শোকপালন পরিবারের, শেষযাত্রা, অশৌচ, শ্রাদ্ধও

Agra Dog Funeral News: আগ্রার শাহদ্রা বাগিচি এলাকার বাসিন্দা ঘনশ্যাম দীক্ষিতের পরিবারের পোষা কুকুর টাইগারের মৃত্যু হয় ২৮ জানুয়ারি ২০২৬। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিল সে। ধীরে ধীরে খাওয়া বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘ এক মাসের অসুস্থতার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে টাইগার।

পোষ্য কুকুরের মৃত্যুতে মুড়োলেন মাথা, হল ১৩ দিনের কাজও আগ্রায় আবেগঘন শ্রাদ্ধপোষ্য কুকুরের মৃত্যুতে মুড়োলেন মাথা, হল ১৩ দিনের কাজও আগ্রায় আবেগঘন শ্রাদ্ধ
Aajtak Bangla
  • আগ্রা,
  • 09 Feb 2026,
  • अपडेटेड 5:25 PM IST

Agra Dog Funeral News: পোষা কুকুরকেও যে পরিবারের সদস্যের মর্যাদা দেওয়া যায়, তারই এক আবেগঘন দৃষ্টান্ত তৈরি হল উত্তরপ্রদেশের আগ্রায়। ১৪ বছরের পোষা ল্যাব্রাডর কুকুর ‘তিলকধারী টাইগার’-এর মৃত্যুর পর তাকে সন্তানের মতোই শেষকৃত্য ও তেরোদিনের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করল এক পরিবার। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রে।

জানা গিয়েছে, আগ্রার শাহদ্রা বাগিচি এলাকার বাসিন্দা ঘনশ্যাম দীক্ষিতের পরিবারের পোষা কুকুর টাইগারের মৃত্যু হয় ২৮ জানুয়ারি ২০২৬। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিল সে। ধীরে ধীরে খাওয়া বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘ এক মাসের অসুস্থতার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে টাইগার।

পরিবারের দাবি, টাইগার শুধু পোষা প্রাণী নয়, ছিল পরিবারের সন্তানের মতো। প্রায় ১৪ বছর আগে দিল্লি থেকে আনা হয়েছিল তাকে। প্রতিদিন কপালে তিলক পরানোর অভ্যাস থেকেই এলাকাবাসীর কাছে সে পরিচিত ছিল ‘তিলকধারী টাইগার’ নামে। তার জনপ্রিয়তা এতটাই ছিল যে মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই গোটা পাড়ায় শোকের আবহ নেমে আসে।

আরও পড়ুন

টাইগারের মৃত্যুর পর পরিবারের তরফে বুলন্দশহরের রাজঘাটে পূর্ণ হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে তার দাহকর্ম সম্পন্ন করা হয়। শবযাত্রার মতো করে কুকুরটিকে ফুলে সাজিয়ে এলাকায় ঘোরানো হয়। দাহের পর পরিবারের পুরুষ সদস্যরা মাথা ন্যাড়া করেন, যেমনটা মানুষের মৃত্যুর ক্ষেত্রেও করা হয়।

রবিবার, অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারি, টাইগারের তেরোদিনের কাজও সম্পন্ন হয়। ওই দিন বাড়িতে বড় করে হোম-হবন, শান্তিপাঠ ও পূজা আয়োজন করা হয়। টাইগারের বড় ছবি সামনে রেখে আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়। পাশাপাশি ১৩ জন ব্রাহ্মণকে ভোজন করানো হয় এবং দক্ষিণাও দেওয়া হয়।

ঘনশ্যাম দীক্ষিত জানান, টাইগার ছিল পরিবারের আত্মার অংশ। তার বড় ছেলে নাকি কুকুরটির মৃত্যুর পর দু’দিন কিছু খায়নি। পরিবারের দাবি, এই আয়োজন কোনও লোক দেখানো নয়, বরং ভালবাসা ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ। ঘটনাটি মানব-প্রাণী সম্পর্কের এক গভীর ও স্পর্শকাতর দিক তুলে ধরেছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement