
Rolex Submariner Watch 1963: এক ব্যক্তি বাবার মৃত্যুর পর তার ঘড়ি, অকশনে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘড়ি ব্যক্তি ৬০ বছর আগে ৭ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছিলেন। কিন্তু যখন সেই ঘড়িটি ওই ব্যক্তি বিক্রি করতে গেলেন। সেটি যে দামে বিক্রি হল তা দেখে তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার জোগাড়। সেই ৭ হাজার টাকা দামের ঘড়ি, আজকের দিনে ৪০ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এর দামে মার্সিডিজ এর মতো লাক্সারি গাড়ি কেনা সম্ভব। আসুন জেনে নিই যে এই ঘড়িটি এত দামি কেন হল।
রিপোর্ট অনুযায়ী এই অ্যান্টিক ওয়াচ যা সুইচ কোম্পানি রোলেক্স (Rolex) বানিয়েছিল কয়েক দশক পুরনো হওয়া সত্বেও এটি কার্যক্ষম ছিল। এর নিজের একটা ইতিহাস আছে। এই কারণে ৪০ লাখ টাকার বেশি দামে এই ঘড়িটি বিক্রি হয়েছে। সম্প্রতি TW Gaze এর এর তরফ থেকে আয়োজিত অনলাইন অপশনে এটি বিক্রি করা হয়। কে কিনেছেন সেটি প্রকাশ্যে আনা হয়নি।
ব্রিটেনের বাসিন্দা সাইমন বেনেট এই ঘড়ি ১৯৬৩ সালে (1963 Rolex Submariner Watch) কিনেছিলেন। সাইমন রয়েল নেভির সার্চ রেস্কিউ ডাইভার ছিলেন ।২০১৯ সালে তার মৃত্যুর পর এই ঘড়িটি তার ছেলে পিটার বার্নেটের কাছে উত্তরাধিকার সূত্রে আসে। পিটার পুলিশ সার্ভিস-এ রিটায়ার ব্যক্তি।
পিটারের এই অ্যান্টিক ওয়াচ ১৯৬৩ সালের রোলেক্স সাবমেরিনার ওয়াচ 1963 Rolex Submariner Watch। তখন ৭০ পাউন্ড ভারতীয় টাকায় সাত হাজার টাকায় কিনেছিলেন। কিন্তু এখন সেটি ৪০ হাজার পাউন্ড বা ৪১ লাখ টাকা দাম পৌঁছে গিয়েছে। যদিও বাবার এই জিনিসটি এভাবে অপশনে বিক্রি করা পিটারের জন্য খুব সহজ ছিল না তিনি বলেন যে অনেক কিছু স্মৃতি এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তবে মোটা টাকা আয় করে অত্যন্ত খুশি তিনি।
বলা হয়েছে যে পিটারের বাবা ১৯৬৩ সালে রোলেক্স সাবমেরিনার ওয়াচ এর ব্যবহার সমুদ্রের রেসকিউ মিশনের জন্য করতেন। ধীরে ধীরে এই ঘড়িটি স্ট্যাটাস সিম্বল হয়ে যায়। বেশিরভাগ ধনী লোকেরা রোলেক্সের ঘড়ি ব্যবহার করেন।