Advertisement

Cockroaches Survive : ডাইনোসর নিশ্চিহ্ন হলেও কোটি কোটি বছর ধরে টিকে আরশোলা, রহস্য কী?

Cockroaches Survive : গবেষণায় দেখা গেছে আরশোলা এমন একটি প্রাকৃতিক কৌশল থেকে বিবর্তিত হয়েছে, যে তারা কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেদের বাঁচায়। আরশোলাকে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখবেন তাদের শরীর অনেকটা চ্যাপ্টা। দুর্ঘটনার কারণে এটি ঘটেনি। চ্যাপ্টা বা আঠালো প্রাণীরা খুব সংকীর্ণ জায়গায় নিজেদের লুকিয়ে রাখে।

আরশোলাআরশোলা
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 06 Apr 2022,
  • अपडेटेड 10:37 AM IST
  • ডাইনোসর নিশ্চিহ্ন হলেও
  • কোটি কোটি বছর ধরে টিকে আরশোলা
  • রহস্য কী?

Cockroaches Survive : আরশোলা ৬৬০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে গ্রহাণুর আক্রমণ পরেও বেঁচে গিয়েছিল। এই ঘটনার পরে ডাইনোসরের নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। পৃথিবী থেকে তিন-চতুর্থাংশ গাছপালা ও প্রাণী মারা যায় সেই ঘটনায়। কিন্তু তার পরেও আরশোলা বেঁচে যায়। প্রশ্ন হল, বেশির ভাগ প্রজাতি পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেলেও, আরাশোলা পরবর্তী প্রলয়-বিপর্যয়ে টিকে থাকবে? গবেষণায় দেখা গেছে আরশোলা এমন একটি প্রাকৃতিক কৌশল থেকে বিবর্তিত হয়েছে, যে তারা কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেদের বাঁচায়। আরশোলাকে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখবেন তাদের শরীর অনেকটা চ্যাপ্টা। দুর্ঘটনার কারণে এটি ঘটেনি। চ্যাপ্টা বা আঠালো প্রাণীরা খুব সংকীর্ণ জায়গায় নিজেদের লুকিয়ে রাখে। তারা যে কোন জায়গায় লুকিয়ে থাকতে পারে। সম্ভবত এই কারণেই বিলুপ্তির সময় ডাইনোসররা টিকে ছিল। 

পৃথিবীর সাথে উল্কাপিন্ডের সংঘর্ষের পর পৃথিবীর তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে উপস্থিত পশুপাখিদের পালানোর জায়গা ছিল না। লুকোনোর জায়গা ছিল না। কিন্তু আরশোলা মাটির সবচেয়ে পাতলা জায়গায় লুকানোর জায়গা খুঁজে পায়। যার কারণে তারা সেই ভয়ানক গরম থেকে রক্ষা পায়। উল্কাপিণ্ডের সংঘর্ষের ফলে আকাশ ঢেকে যায় ধুলোর কালো মেঘে। তাপমাত্রা প্রথমে বাড়েল তারপর দ্রুত কমতে শুরু করে। সূর্যালোকের অভাবে গাছপালা এবং অনেক জীব মারা যায়। কিন্তু আরশোলা সর্বভুক। তাই তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। 

কোটি কোটি বছর ধরে টিকে আরশোলা

আরশোলার আরেকটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যাতে তারা তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে দীর্ঘ সময়ের জন্য নিরাপদ রাখতে পারে। আরশোলা শুকনো মটরশুটির মতো আকারে ডিম পাড়ে। এই কেসটিকে Oothecae বলা হয়। কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করা হেলেও, আরশোলা মারা যায় না। কারণ তারা অনেক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থেকেও নিজেদের রক্ষা করে। উল্কাপাতের সময় নির্গত রাসায়নিক পদার্থগুলি এড়িয়ে চলার সময় তারা এই ক্ষমতা পেয়েছে। এখন বিজ্ঞানীরা আরশোলা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে এমন রোবট তৈরি করছেন, যা অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সাহায্য করতে পারে।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement