Advertisement

কোথাও ৫৩ ডিগ্রি-কোথাও ৫০! দেশের শহরগুলির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উদ্বেগজনক

গত ৫০ বছরে গোটা দেশের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে। এই বৃদ্ধি যদি লাগাতার চলতে থাকে, আগামী কুড়ি পঁচিশ বছরে বাসের অযোগ্য হয়ে যেতে পারে ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহর এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেখুন ভারতের বিভিন্ন শহরের তাপমাত্রার বৃদ্ধি।

গত ৫০ বছরে দেশের শহরগুলির তাপমাত্রা বেড়েছে উদ্বেগজনকভাবেগত ৫০ বছরে দেশের শহরগুলির তাপমাত্রা বেড়েছে উদ্বেগজনকভাবে
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 10 Jun 2022,
  • अपडेटेड 6:16 PM IST
  • দেশের শহরগুলির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উদ্বেগজনক
  • কোথাও ৫৩ ডিগ্রি-কোথাও ৫০!
  • ৫০ বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে তাপমাত্রা

গত ৫০ বছরে গোটা দেশের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে। এই মূহূর্তে তাপমাত্রা এতটাই বেড়েছে, যা বহু শহরে সহ্যের বাইরে চলে গিয়েছে। দেশের বিভিন্ন শহরে তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে চলেছে। এই বৃদ্ধি যদি লাগাতার চলতে থাকে, আগামী কুড়ি পঁচিশ বছরে বাসের অযোগ্য হয়ে যেতে পারে ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহর এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বহু শহরে এখনই গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গিয়েছে। দিনের বেলায় সেই তাপমাত্রায় বাইরে বেরোনো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কাজকর্ম, বাজার-ঘাট, অফিস-আদালত সমস্ত করতে গিয়ে শুধুমাত্র গলদঘর্ম নয়, রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠছে আমজনতার। এই ধারা যদি বজায় থাকে তাহলে আগামীতে কি হবে তা ভেবে শিউরে উঠছেন অনেকেই।

পঞ্চরঙ্গ জেলার হাজার ১৯৭০ সালে ৪৮0 ডিগ্রি উঠেছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ভবানিপাটনা এলাকাতে প্রায় ৪৫ ডিগ্রি ছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৯৭২ সালে। ১৯৭৪ সালে প্রতাপগড় এর তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ ৪৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৭৬ সালে বেলগাঁও জেলায় গড়ে প্রায় ৫০ ডিগ্রি পৌঁছে গিয়েছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ১৯৭৮ সালে কর্নাল শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৯ ডিগ্রি। ১৯৮০ সালে নরসিংহপুরের তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ সাড়ে আটচল্লিশ ডিগ্রির বেশি। ১৯৮২ সালে ভাটিণ্ডার তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ প্রায় ৪৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। ১৯৮৪ সালে সেই তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ছিল ৫০ ডিগ্রি। ১৯৮৬ সালে গঙ্গানগরের তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ ৪৮.৪ সেলসিয়াস।

১৯৮৮ সালে ঝারসুগুড়া এলাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৫০ ডিগ্রি। ১৯৯০ সালে টিকমগড়ের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪৭ ডিগ্রির কাছাকাছি। ১৯৯২ সালে আড়িয়ালোরের তাপমাত্রা ছিল ৫০ ডিগ্রি। ১৯৯৪ সালের টোলপুরের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৫০ ডিগ্রি। ১৯৯৬ সালে পাতিয়ালার তাপমাত্রায় ৫০ ডিগ্রির উপরে পৌঁছে যায়। ১৯৯৮ সালে চুরুর তাপমাত্রা ছিল পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। ২০০০ সালে এলাকার তাপমাত্রা প্রায় ৫০ ডিগ্রির কাছে পৌঁছে যায়।

২০০২ সালে বিজয়ওয়াড়ার তাপমাত্রা প্রায় ৪৯ ডিগ্রি ছিল। ২০০৪ সালে ঝালাওয়ারের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪৯ জনের কাছে। ২০০৬ সালে হামিরপুর এর তাপমাত্রা ছিল ৪৮ ডিগ্রির বেশি। ২০০৮ সালে কাঠগুগদাম এলাকার তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪৭ ডিগ্রী। ২০১০ সালে সিধি জেলার তাপমাত্রা ছিল ৫২ ডিগ্রির বেশি। ২০১২ সালে ফতেহগড় এলাকার তাপমাত্রা ছিল ৫৩ ডিগ্রি। 

Advertisement

২০১৪ সালে চুরুর তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ছিল ৪৯ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই। ২০১৬ সালে বিকানেরের তাপমাত্রা ছিল ৫০ ডিগ্রির কাছে। ২০১৮ সালে বিজাপুরের তাপমাত্রা ছিল ৪৯ ডিগ্রি। ২০২০ সালে হিসার জেলার তাপমাত্রা ছিল ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২১ সালে গঙ্গানগর তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রির কাছে ছিল।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement