Advertisement

India-Bangladesh: T20 বিশ্বকাপ বয়কট করে এবার আফসোস হচ্ছে বাংলাদেশের, ভারতকে বড় সঙ্কেতও দিল BNP

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক কি ভাল হতে চলেছে? বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর, সেই ইঙ্গিত মিলেছে। অন্তত ক্রিকেটের ক্ষেত্রে তো বটেই। নতুন দায়িত্ব নেওয়া যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বিরোধের পর ঢাকা ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেস্টা চালাচ্ছে।

বাংলাদেশ দল ও মহম্মদ ইউনূসবাংলাদেশ দল ও মহম্মদ ইউনূস
Aajtak Bangla
  • 19 Feb 2026,
  • अपडेटेड 1:34 PM IST

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক কি ভাল হতে চলেছে? বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর, সেই ইঙ্গিত মিলেছে। অন্তত ক্রিকেটের ক্ষেত্রে তো বটেই। নতুন দায়িত্ব নেওয়া যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বিরোধের পর ঢাকা ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেস্টা চালাচ্ছে।

বাংলাদেশের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী হক এই পুনঃস্থাপনের ইঙ্গিত দিয়েছেন, বলেছেন যে তিনি ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। প্রতিবেদন অনুসারে, তিনি 'বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার' মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসনের ইচ্ছার উপর জোর দিয়েছেন। হক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদেরও সমালোচনা করেছেন, বয়কটের সিদ্ধান্তের জন্য।

বাংলাদেশের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, 'খেলাধুলো থেকে শুরু করে অন্যান্য সকল ক্ষেত্রেই আমরা ভারতের সঙ্গে সৎ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। কূটনৈতিক জটিলতার কারণে আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি। যদি এই সমস্যাগুলি আগে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত, তাহলে আমাদের দল অংশগ্রহণ করতে পারত।'

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (IPL) ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) থেকে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার পর ক্রিকেট অচলাবস্থা শুরু হয়। ঢাকা এই পদক্ষেপকে অন্যায্য বলে মনে করে। ইউনূসের শাসনাকালে বাংলাদেশ ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। 'নিরাপত্তার উদ্বেগ' দেখিয়ে ভারত খেলতে আসতে চায়নি বাংলাদেশ। এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ করে।

ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত বর্তমান পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে জায়গা দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন বাংলাদেশ সরকার ভারতে খেলতে দল পাঠাতে রাজি হয়নি। শুধু তাই নয়, তারা শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। এর পেছনে রাজনৈতিক উত্তেজনাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। মনে করা হয় যে পাকিস্তানের চাপে বাংলাদেশ এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানও শুরুতে ভারতের ম্যাচ বয়কট করার হুমকি দিতে থাকে। পাক বোর্ড মনে করেছিল, বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। তবে শেষ অবধি চাপের কাছে নতিস্বীকার করে পাক দল। খেললেও হারতে হয় তাদের।  

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement