
ফের ইডেনকে বঞ্চনা করার অভিযোগ। আইপিএল-এ কলকাতা, চেন্নাই সুপার কিংস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ পায়নি ইডেন। এর আগে টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল পায়নি এই মাঠ। ভারতের একমাত্র একটাই ম্যাচ পেয়েছিল এই মাঠ। তারপরেও গতকাল যে ফিক্সচার বেরিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ পেয়েছে কলকাতা।
এ প্রসঙ্গে সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় মুখ খুলেছেন এ নিয়ে। সিএবি-র সভাপতি সৌরভ বলেছেন, 'রোটেশন করে নানা কেন্দ্রে খেলা হলে কোনও অসুবিধা তো নেই। ইডেন তো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও গত বছরে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম টেস্ট পেয়েছে। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সও ইডেনে খেলবে।' এর সঙ্গে তিনি যোগ করেছেন, 'রাঁচিতে টেস্ট হচ্ছে এটা তো খুবই ভাল ব্যাপার। পরের বছর ইডেনে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারত ওয়ান ডে খেলবে। আশা করি আগামী সিরিজগুলিতে ইডেন আরও ম্যাচ পাবে।'
তবে প্রশ্ন উঠবে গুয়াহাটির বরসাপাড়া স্টেডিয়াম নিয়ে। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI) বৃহস্পতিবার সিনিয়র পুরুষ দলের ঘরোয়া মরসুমের সূচি প্রকাশ করেছে, যেখানে পাঁচটি টেস্ট, নয়টি ওডিআই এবং আটটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ রয়েছে। গুয়াহাটির বরসাপাড়া স্টেডিয়ামও এই সূচিতে স্থান পেয়েছে, যেখানে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এখন ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ২০২৭ সালের বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি সিরিজের একটি ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে।
তবে, এত অল্প সময়ের মধ্যে গুয়াহাটি কীভাবে আবারও এই সুযোগটি পেল, তা স্পষ্ট নয়। এটাও লক্ষণীয় যে, মুম্বই ও কলকাতার মতো প্রধান ক্রিকেট কেন্দ্রগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ থেকে বাদ পড়েছে। এবার তাদের উপেক্ষা করা হয়েছে, কেন সেটাও স্পষ্ট নয়। ভারতীয় ক্রিকেটে ভেন্যু নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক সময়ে সময়েই উঠেছে, কিন্তু এবারের বিষয়টি একটু ভিন্ন এবং আরও গুরুতর। এর কারণ হলো গুয়াহাটির বরসাপাড়া স্টেডিয়াম, যেখানে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং এখন ২০২৭ সালে ভারত-অস্ট্রেলিয়া বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে একটিও আয়োজিত হবে। প্রশ্নটি সহজ: এটি কি 'রোটেশন সিস্টেম'-এর অংশ, নাকি এই পদ্ধতির একটি নতুন ব্যাখ্যা?