
T20 World Cup এ বাংলাদেশের আদৌ ঠাঁই হবে কিনা, তা নিয়ে অচলাবস্থা এখনও অব্যাহত। পাকিস্তানের উস্কানিতে বাংলাদেশ এখনও গোঁ ধরে বসে আছে, বিশ্বকাপে তারা ভারতে খেলবে না। বাংলাদেশের এই স্পর্ধার পিছনে যে পাকিস্তানের উস্কানি রয়েছে, তা ফাঁস হয়ে গেল বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রকের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্যেই। যে জগমোহন ডালমিয়া না সাহায্য করলে যে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের স্টেটাসই পেত না, সেই বাংলাদেশ এখন ভারতে খেলা নিয়ে পাকিস্তানের উদাহরণ টানছে।
পাকিস্তানের উস্কানিতেই লাফাচ্ছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের ভারতে খেলতে না চাওয়া নিয়ে একের পর এক অনুরোধ আইসিসি খারিজ করে দিয়েছে। T20 বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে, অন্য দল যে তৈরি আছে, তাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তবু বাংলাদেশের খোলাখুলি পাকিস্তানেরই উদাহরণ টেনে অসিফ নজরুল বলছেন, 'আমাদের বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিবে, এমন কিছু শুনি নাই। ICC যদি ভারতীয় বোর্ডের কাছে মাথা নত করে আমাদের উপর অযৌক্তিক কোনও শর্ত চাপানোর চেষ্টা করে, আমরা মানবো না। আমাদের অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করানো হচ্ছে। এর ভারত পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে না চাওয়ায়, আইসিসি ভেন্যু বদল করেছে, সেই উদাহরণ রয়েছে।'
বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে পিসিবি যা বলল
ইএসপিএন ক্রিকইনফো-র খবর অনুযায়ী, মঙ্গলবার আইসিসি-কে একটি চিঠি পাঠিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এই চিঠিতে জানানো হয়, প্রতিবেশী এলাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতার এই সময়ে ভারতে খেলতে না চাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অবস্থানকে সমর্থন করে পিসিবি। অর্থাত্ বাংলাদেশকে যে উস্কানি দিচ্ছে পাকিস্তান, তা এই চিঠিতেই স্পষ্ট হয়ে গেল। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে T20 বিশ্বকাপ। প্রথম ম্যাচ ভারত-শ্রীলঙ্কা। তার আগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের চূড়ান্ত অসভ্যতায় বিশ্বকাপের সূচি ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কারণ বাংলাদেশ সরকারের পিসিবি-র অবস্থানকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে, যাতে তারা ভারতে খেলতে না যায়।
ICC নিজেদের অবস্থানে অনড়
T20 বিশ্বকাপে গ্রুপ সি-তে রয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে রয়েছে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও নেপাল। বাংলাদেশের ম্যাচগুলি রয়েছে কলকাতা ও মুম্বইয়ে। এখনও পর্যন্ত খবর, এত দেরিতে টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা বদলাতে অনিচ্ছুক আইসিসি। আইসিসি-র বক্তব্য, ভারতীয় স্টেডিয়ামগুলিতে নির্ধারিত ম্যাচগুলি অন্যত্র সরানোর মতো কোনও শক্তিশালী যুক্তি নেই। পাশাপাশি, কোনও একটি দলের শেষ মুহূর্তের দাবিতে সাড়া দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাইছে না আইসিসি।