Advertisement

Shivam Dube: জীবনে জুনিয়ার লেভেলে ক্রিকেট খেলেননি, বেলাগাম খেয়ে মোটা হয়ে গিয়েছিলেন

তাঁর ছোটবেলার ছবি দেখলে কে বলবে তিনি আজ বিশ্বকাপ জেতা ক্রিকেটার? কিশোর অবস্থায় রীতিমত গোলগাল ছিলেন শিবম দুবে। ছোটবেলায় তাঁর একটাই ভাল লাগার কাজ ছিল, খাওয়া। ফলে পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল তাঁর ওজন। মুম্বইয়ের আন্ধেরির হংসরাজ মোরারজি পাবলিক স্কুলে পড়তেন শিবম। আর সেখানেই ক্রিকেটের হাতেখড়ি।

Aajtak Bangla
  • মুম্বই,
  • 11 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:21 PM IST
  • কীভাবে উত্থান শিবমের?
  • ওজন কমাতে কী কী করেছিলেন শিবম?

তাঁর ছোটবেলার ছবি দেখলে কে বলবে তিনি আজ বিশ্বকাপ জেতা ক্রিকেটার? কিশোর অবস্থায় রীতিমত গোলগাল ছিলেন শিবম দুবে। ছোটবেলায় তাঁর একটাই ভাল লাগার কাজ ছিল, খাওয়া। ফলে পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল তাঁর ওজন। মুম্বইয়ের আন্ধেরির হংসরাজ মোরারজি পাবলিক স্কুলে পড়তেন শিবম। আর সেখানেই ক্রিকেটের হাতেখড়ি।

সেই স্কুলের কোচ বর্তমানে মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার যুগ্ম সচিব নীলেশ ভোঁসলে! তিনিই এক সাক্ষাৎকারে জানান, ছোটবেলায় ওজন বেশি থাকলেও, ব্যাট হাতে তাঁর জোর ছিল। বল ব্যাটে লাগার সঙ্গে সঙ্গে আছড়ে পড়ত বাউন্ডারির বাইরে। আর এই ক্ষমতাই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দেয়।  দেদার ‘পাও-ভাজি’, ‘বড়া পাও’ সাঁটিয়ে পরিস্থিতি এমন হয়েছিল, যে ঠিকভাবে রান নেওয়ার জন্য দৌড়াতেও পারতেন না শিবম। কোচ তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ৩০টা বল খেলে নিতে। সেটা দারুণ ভাবে পালন তো করেছিলেনই, পাশাপাশি শিবমের একের পর এক মারে দিশেহারা হয়ে যায় প্রতিপক্ষ দল। 

শিবম কোনদিন জুনিয়র পর্যায়ে ক্রিকেট খেলেননি। প্রথমে মুম্বই প্রিমিয়ার লিগ, সেখান থেকে রঞ্জি হয়ে সরাসরি ভারতীয় দলে। তবে শুধু কোচ নয়, শিবমকে সফল করার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর বাবা রাজেশ দুবে। ছেলেকে ক্রিকেটার বানানোর চেষ্টায় ব্যবসা প্রায় লাটে উঠতে বসেছিল তাঁর। মারাত্মক আর্থিক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল। একবার পিঠে মারাত্মক চোট পেয়েছিলেন শিবম। খেলা প্রায় শেষ হয়ে যেতে বসেছিল। তবে তাঁর বাবা হাল ছাড়েননি।

ছেলের প্র্যাকটিসে যাতে অসুবিধে না হয়, সেই জন্য বাড়িতে টার্ফ তৈরি করে দিয়েছিলেন রাজেশ। তাঁর একটাই স্বপ্ন ছিল, ছেলেকে দেশের হয়ে খেলতে দেখা। আজ সেই স্বপ্ন পূরন হয়েছে। শুধু দেশের হয়ে খেলা নয়, বিশ্বকাপ জিতে ফিরেছেন শিবম। তাঁর বাড়ি ফেরার গল্পও কম চমকপ্রদ নয়। 

বিশ্বকাপ জেতার পরেই ভোরে বাড়ি ফেরার ট্রেন ধরেন। বিমান না থাকায় অপেক্ষাই করতে চাননি শিবম। সোজা ছদ্মবেশে এসি থ্রি টায়ারে উঠে পড়েন তারকা অলরাউন্ডার। আদ্যন্ত ফ্যামিলিম্যান শিবম বলেন, 'রাতে কোনও বিমান ছিল না। তাই আমি ঠিক করি আহমেদাবাদ থেকে ট্রেন ধরে সকালের মধ্যে মুম্বই ফিরব। আমি গাড়িতেও ফিরতে পারতাম। কিন্তু ট্রেনে তাড়াতাড়ি হল। আমি, আমার স্ত্রী ও এক বন্ধু ঠিক করি ট্রেনে ফিরব। থার্ড এসি’র টিকিট পাওয়া যাচ্ছিল, তাই সেটাই কেটে নিই। সবাই একটু দুশ্চিন্তায় ছিল যে, ট্রেনের ভিতর কেউ যদি আমাকে চিনে ফেলে, তাহলে কী হবে?' বাড়ি ফিরে চার বছরের ছেলে আয়ান ও দু’বছরের মেয়ে মেহউইশের সঙ্গে দেখা করতে সেই ঝুঁকিও নিয়ে নেন তিনি।       

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement