
ইংল্যান্ডের কাছে হেরে সেমিফাইনালে অনিশ্চিত নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ড ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এর ফলে পাকিস্তান সেমিফাইনালের দৌড়ে থেকে গেল। তারা শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পারলে চলে যাবে শেষ চারে। ইডেন থেকে সরবে সেমিফাইনালে কলম্বোতে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবেন সলমন আঘারা।
ইংল্যান্ডের ইনিংস
রান তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা খারাপ ছিল, মাত্র ২ রানে দুই ওপেনারকে হারাতে হয়। ম্যাট হেনরির বলে ফিল সল্ট (২) আউট হন। জস বাটলারকে লকি ফার্গুসন কোনও রান না করেই আউট করেন। সেখান থেকে অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক এবং জ্যাকব বেথেল ৪৮ রানের জুটি গড়ে ইংলিশ ইনিংসকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন। গ্লেন ফিলিপস ব্রুককে (২৬) আউট করে এই জুটির ইতি টানেন। এরপর, রচিন রবীন্দ্র বেথেলকে (২১) আউট করে নিউজিল্যান্ডকে চতুর্থ উইকেট উপহার দেন।
নিউজিল্যান্ডের ইনিংসটি ছিল এই রকম
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করে। নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ভালো ছিল। টিম সেইফার্ট এবং ফিন অ্যালেন মিলে প্রথম উইকেটে ৭ ওভারে ৬৪ রানের জুটি গড়েন। সেইফার্ট (৩৫ রান) লেগ-স্পিনার আদিল রশিদের বলে আউটহন, আর অ্যালেন ২৯ রানের ব্যক্তিগত স্কোর করে পার্টটাইম স্পিনার উইল জ্যাকসের শিকার হন। রচিন রবীন্দ্র এই ম্যাচে ব্যাট হাতে খুব বেশি কিছু করতে পারেননি এবং মাত্র ১১ রান করতে পারেন। স্পিনার রেহান আহমেদের স্পিনে আটকা পড়েন রবীন্দ্র।
মার্ক চ্যাপম্যান (১৫ রান) এবং ড্যারিল মিচেল (৩ রান) ও হতাশ করেন এবং স্পিন বোলারদের শিকার হন। নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন গ্লেন ফিলিপস। ফিলিপস তার ২৮ বলের ইনিংসে চারটি চার এবং একটি ছক্কা মারেন। ফিলিপস আউট হওয়ার সময় নিউজিল্যান্ডের স্কোর ছিল ১৩৫-৬। এরপর নিউজিল্যান্ড শেষ ওভারে কোল ম্যাককঞ্চির উইকেট হারায়. যিনি মাত্র ১৪ রান করতে পারেন। ইংল্যান্ডের হয়ে রেহান আহমেদ, আদিল রশিদ এবং উইল জ্যাকস দুটি করে উইকেট নেন। লিয়াম ডসনও একটি সাফল্য পান।